তিরুচিরাপল্লীর ছোট্ট সুজিতের স্মৃতি উসকে দিয়ে হরিয়ানায় ৫০ ফুট গভীর কুঁয়োয় পড়ে গিয়ে মৃত্যু হল পাঁচ বছরের ছোট্ট মেয়ের। প্রায় ১৬ ঘণ্টা শিশুটি আটকে ছিল। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করে। কিন্তু সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে সোমবার পাঁচ বছরের মেয়েটির মৃতদেহ  উদ্ধার করা হয়েছে।  ঘটনাটি হরিয়ানার হরিসিংপুর গ্রামে ঘটেছে। 

পর্ন সাইটে কলেজ ছাত্রীর নম্বর, রাগ মেটাতেই কুকীর্তি চণ্ডীগড়ে


সোমবার সন্ধ্যার সময় বাড়ির কাছেই খেলছিল ছোট্ট মেয়েটি। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ সে খেলতে খেলতে সামনের গভীর কুঁয়োয় পড়ে যায়।  প্রায় ১৬ ঘণ্টা কুয়োর মধ্যে আটকে ছিল শিশুটি। ১০ ঘণ্টা অভিযান চালায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। সোমবার সকাল সাড়ে নটা নাগাদ শিশুটিকে উদ্ধার করে কারনান সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষণা করে। 

শিশুটির পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, বাড়ির সামনেই খেলা করছিল শিশুটি। হঠাৎ করে শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যায় না। সবাই এদিক ওদিক খুঁজতে খুঁজতে বাড়ির সামনের গভীর কুঁয়োতে শিশুটি পড়ে যায় বলে বুঝতে পারে। শিশুটির বাড়ির সামনের এই কুঁয়োটিতে কোনও প্রাচীর ছিল না। এর জেরেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। 


স্থানীয় পুলিশষ আধিকারিক সুরেন্দ্রর সিং ভোরিয়া জানান, গ্রামবাসীরা ঘটনার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ কালবিলম্ব না করে ঘটনাস্থলে আসে এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে খবর দেয়। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর অভিজ্ঞ সদস্যরা দড়ি দিয়ে শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করে। ভোরিয়া জানান, ক্যামেরার সাহায্য়ে শিশুটিকে দেখা হচ্ছিল। পাইপের সাহায্যে তার কাছে অক্সিজেন পাঠানোও হয় ক্রমাগত।  প্রায় ১০ ঘণ্টা অভিযান চালানোর পর শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।  তিরুচিরাপল্লীর ছোট্ট সুজিতের জন্য প্রায় চার দিন অভিযান চালানো হয়। কিন্তু সমস্ত আশায় জল দিয়ে তার গভীর কুয়ো থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।