সংক্ষিপ্ত
- সঙ্কটেই প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি
- কাজ করছে না হৃদযন্ত্র ও ফুসফুস
- শুক্রবার জেটলিকে দেখতে হাসপাতালে যান রাষ্ট্রপতি
- শনিবার সকাল থেকেই এইমস-এর পথে নেতা-মন্ত্রীরা
আশঙ্কা জনক অবস্থায় রয়েছেন প্রবীন বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবনর অনুসারে এখনও তাঁকে লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমেই রাখা হয়েছে। ওই সর্বভারতীয় সংবাদ সূত্রে আরও জানানো হয়েছে তাঁর হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুস নিজের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারিয়েছে। তাই জীবনদায়ি ব্যবস্থার সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
শ্বাসকষ্টজনিত সমস্য়া নিয়ে গত ৯ অগাস্ট দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স (এইসমস)-এ ভর্তি করা হয় ৬৬ বছর বয়সি জেটলি-কে। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসায়ে সাড়া দিলেও গত কয়েকদিনে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিন বহুজন সমাজ পার্টি নেত্রী মায়াবতী এসে উপস্থিত হয়েছেন এইমস-এ।
শুক্রবার সকালে বর্ষীয়ান এই বিজেপি নেতার শারীরিক অবস্থা দেখতে এইমসে যান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। পাশাপাশি সেই সময়ে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন এবং এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর শারিরীক অবস্থা খোঁজ নিতে শুক্রবার রাতেই হাসপাতালে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। এছাড়াও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং আরও বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শুক্রবার অরুণ জেটলির স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে এইমস-এ গিয়েছেন বলে খবর। সূত্রের খবর শনিবার সকাল দশটা নাগাদ আরও কয়েকজন মন্ত্রী তাঁকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
কয়েকবছর ধরেই শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন অরুণ জেটলি। প্রথমবারের মোদী সরকারের শেষ কয়েকমাস চিকিৎসার জন্য মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে নবনির্বাচিত মোদী সরকারের মন্ত্রীসভায় যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। নতুন মন্ত্রীসভা গঠনের সময়ে তিনি তাঁর শারিরীক অসুস্থতার জন্য মন্ত্রীসভার কোনও দায়ভার নিতে পারবেন না বলে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন তিনি। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনায় গোটা রাজনৈতিক মহল।