শিক্ষানীতির মূল উদ্দেশ্যই হল 'আমাদের কী ভাবতে হবে' আর  'আগামী দিনে আমরা কী ভাবে তা ভাবব' তার ওপর জোর দেওয়া। বর্তমান সময়ে তথ্য ও বিষয়বস্তু খুবই সহজেও উপলব্ধ হয়। তাই শিশুদের শিক্ষার জন্য আরও গভীরে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। একই সঙ্গে আরও আবিষ্কার মূলক ও বিশ্লেষণ ভিত্তির শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। মানব সম্পদন উন্নয়ন মন্ত্রক আর বিশ্ববিদ্যাসয়র মঞ্জরি কমিশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত 'উচ্চ শিক্ষায় রীপান্তরমূলক সংস্কার কনক্লেভ' অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ কে রীতিমত সমর্থন করেন। তিনি বলেন ৩৪ বছর পুরনো শিক্ষাব্যবস্থা বদল খুবই জরুরি ছিল। 

ভিডিও কনফারেন্সিংরএর মাধ্যমে এই আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিক্ষাবীদ ও গবেষকরা অংশগ্রহণ করেছিলেন। 


আর এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন নতুন শিক্ষানীতি চাকরি প্রার্থী তৈরির করার থেকে বেশি জোরদিচ্ছে চাকরি দাতা তৈরি করার ওপর। তিনি আরও বলেন শিক্ষার ক্ষেত্র গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপরই বেশি মনোনিবেশ করা হয়েছে। একবিংশ শতাব্দীকে জ্ঞানের যুগ হিসেবে চিহ্নিত করে জাতীয় শিক্ষানীতিত ২০২০ পুরোপুরি সময় উপযোগী। তাই নতুন শিক্ষানীতিকে সর্বাধিক উন্নত আর আধুনিক করার চেষ্টা করা হয়েছে। 


প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরও বলেন জাতীয় শিক্ষানীতি  কোনও পক্ষপাতমূলক উদ্বেগ উত্থাপন করে না। প্রতিটি দেশই জাতীয় মূল্যবোধ ও লক্ষ্য অনুসারে শিক্ষাব্যবস্থাকে সংস্কার করে। ভারতও সেইপথে চলেছে। 

নতুন শিক্ষানীতির মূল উদ্দেশ্যই হল দেশের যুবসমাজকে চিন্তা করতে শেখান। আর সেই বিষয়ে প্রথম থেকে উৎসাহিত করতেই ৫ + ৩ + ৩ + ৪ কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। 


নতুন এই শিক্ষানীতির ২১শতকের ভিত্তি স্থাপন করবে বলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মন্তব্য করেন। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি কালামের কথা টেনে এনে প্রধানমন্ত্রী বলেন তাঁর দেখান পথেই চলার চেষ্টা করা হচ্ছে। কারণ তিনি বলতেন শিক্ষার উদ্দেশ্য দক্ষতা বাড়ানো। আর সেই দক্ষতা থেকেই ভালো মানুষ তৈরি করার লক্ষ্যে অবিচল তাঁর সরকার। বহু বছর গবেষণার পরই জাতীয় শিক্ষানীতিরে রদবদল করা হয়য়েছে। আর নতুন শিক্ষানীতি নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বাস্থ্যকর বিতর্কে অংশ নিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।