টানা সাতটি ত্রৈমাসিকে কমল জিডিপি-র হার। পাচ শতাংশ থেকে এবার দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপি-র বৃদ্ধির হার নেমে হল ৪.৫ শতাংশ। জুলাই- সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে ফের ০.৫ শতাংশ কমে গিয়েছে জিডিপি। 
২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের শেষে জিডিপি-র হার ছিল ৭.১ শতাংশ। যার অর্থ, গত বছরের তুলনায় দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের শেষে জিডিপি-র হার কমেছে ২.৬ শতাংশ। 

শেষ ত্রৈমাসিকে জিডিপি যে হারে বেড়েছে, তা গত ছয় বছরে সবথেকে ধীর গতির। এর আগে ২০১২-১৩ অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৪.৩ শতাংশ।

পরিকাঠামো ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত আটটি প্রধান শিল্পের উৎপাদন তথ্যের সঙ্গে জিডিপি বৃদ্ধির হার প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, অক্টোবর মাসে আটটি প্রধান শিল্পের ক্ষেত্রেই উৎপাদনশীলতা ৫.৮ শতাংশ কমে গিয়েছে। আটটির মধ্যে ছ'টি শিল্প ক্ষেত্রই অক্টোবর মাসে উৎপাদনশীলতা কমে গিয়েছে। তার মধ্যে সবথেকে খারাপ অবস্থা কয়লা ক্ষেত্রের, যেখানে উৎপাদনশীলতা কমেছে ১৭.৬ শতাংশ। 

চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকের শেষে জিডিপি বৃদ্ধির হার নেমে হয়েছিল ৫ শতাংশ। যা গত ছ' বছরের মধ্যে ছিল সবথেকে কম। আর্থিক বৃদ্ধির হার কমে যাওয়ার ফলে বিশ্বের সবথেকে দ্রুত গতির অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ভারতের থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে চিন। 

বিশেষজ্ঞ থেকে বিরোধী দলের নেতারা বার বারই অভিযোগ করেছেন, থমকে যাওয়া আর্থিক বৃদ্ধির চাকা ঘোরাতে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়নি মোদী সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা অবশ্য বার বারই সেই অভিযোগকে খারিজ করকে অর্থনীতির অবস্থা নিয়ে আশ্বস্ত করেছেন। যদিও বাস্তব চিত্রটা কেন্দ্রীয় সরকারের দাবির সঙ্গে মিলছে না।