কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড-এর হত্যার ঘটনা নিয়ে এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভে উত্তাল। ৪৭ বছর বয়সী ফ্লয়েডের ঘাড়ে হাঁটু দিয়ে চেপে বসেছিল পুলিশ। তাতে তাঁর শ্বাসরোধ হয়ে যায়, আর তাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। এবার প্রায় একই রকম ঘটনা ঘটল রাজস্থানের যোধপুরে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এই বিষয়ে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তাতে, দেখা যাচ্ছে মাটিতে পড়ে আছেন এক ব্যক্তি। আর এক পুলিশকর্মী একেবারে মিনেসোটার পুলিশের কায়দাতেই তাঁর দিয়ে তার ঘাড়ে চাপ দিতে দেখা যায়। ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে ওই ব্যক্তির মুখে মাস্ক ছিল না। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে, ভারতের বেশিরভাগ শহরেই প্রকাশ্যে মুখোশ পরা বাধ্যতামূলক।

পুলিশ জানিয়েছে ওই ব্যক্তির নাম মুকেশ কুমার প্রজাপত। তাদের দাবি পুলিশ কর্মীরা তাঁকে মাস্ক না পরা নিয়ে প্রশ্ন করাতে ওই ব্যক্তিই প্রথম কর্মীদের উপর হামলা করেছিল। আত্মরক্ষাযর্থেই ওই কর্মীরা তার ঘাড়ে চেপে বসেছিল। যোধপুরের পুলিশ কমিশনার প্রীতি চন্দ্র বলেছেন "ইউনিফর্মে থাকাকালীন কোনও পুলিশ সদস্যকে চড়-থাপ্পড় বা ঘুষি মারাটা পুরো সমাজের জন্যই বিব্রতকর।"

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ওই বিষয় নিয়ে তদন্ত করা হবে। তবে তার সঙ্গেই মুকেশ কুমার প্রজাপত অত্যন্ত হিংস্র এক ব্যক্তি বলে দাবি করেছে তারা। এর আগে তার বাবাও তাঁর হিংসার শিকার হয়েছিলেন এবং পুলিশে অভিযোগ করেছিলেন বলে জানানো হয়েছে। কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারকে আক্রমণ করার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

নেটদুনিয়া অবশ্য পুলিশের এই যুক্তি মানতে নারাজ। তাদের বক্তব্য হল, যদি ওই ব্যক্তি অপরাধীও হন, তাহলেও পুলিশের তাকে অত্যাচার করার অধিকার নেই।