চলতি মাসে গোয়ার পানাজি শহরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে প্রথম বিচ কার্নিভাল। ইউনেস্কো ক্রিয়েটিভ সিটিস নেটওয়ার্ক বা UCCN-এর তালিকায় রয়েছে গোয়ার নাম। আর তার ওপর ভিত্তি করেই প্রথমবার গোয়ার মনোরম সমুদ্র সৈকতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিচ কার্নিভ্যাল। গোয়ার স্থানীয় খাবারই হবে এই বিচ ফেস্টিভ্যালের মূল আকর্ষণ।  


উন্মুক্ত আকাশ আর নীল জলের মধ্যে জলকেলি করার সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্র সৈকতের বিচে কার্নিভ্যাল (Beach Carnival) এনজয় করতে চান...তাহলে আপনাকে পৌঁছে যেতে হবে রোম্যান্সের শহর ও সমুদ্র সৈকত গোয়াতে (Goa) । কারন চলতি মাসে গোয়ার পানাজি শহরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে প্রথম বিচ কার্নিভাল (Beach Carnival)। প্রসঙ্গত, ইউনেস্কো ক্রিয়েটিভ সিটিস নেটওয়ার্ক বা UCCN-এর তালিকায় রয়েছে গোয়া (Goa) শহরের নাম। আর তার ওপর ভিত্তি করেই প্রথমবার গোয়ার (Goa) মনোরম সমুদ্র সৈকতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিচ কার্নিভ্যাল (Beach Carnival)। বলা বাহুল্য, গোয়ার স্থানীয় খাবারই (Regional Food) হবে এই বিচ ফেস্টিভ্যালের মূল আকর্ষণ। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

নবদম্পত্তি থেকে সেলিব্রিটি সকলেরই পছন্দের জায়গা গোয়া। গোয়ার সমুদ্র সৈকতে বসে কিছুটা কোয়ালিটি টাইম কাটানো বা সি-বিচে বসে সানবাথ নেওয়ার জন্যই গোয়া শহর বিশেষভাবে জনপ্রিয়। পানাজি কর্পোরেশনের (Panaji Corporation) কমিশনার অ্যাঞ্জেলো ফার্নান্ডেজ এই বিষয়ে প্রথমসারির এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, দ্য বিচ কার্নিভাল রন্ধনসম্পর্কীয় অভিজ্ঞতা প্রদানের উপর ফোকাস করবে এবং স্থানীয় খাবারগুলোকে স্থানীয় এলাকার মানুষদের কাছে আরও ভালভাবে পৌঁছে দিতে এবং সেই সঙ্গে পর্যটকদেরও গোয়ার খাওয়ার-দাওয়ারের সঙ্গে বিশেষভাবে পরিচিত করতে এই বিচ কার্নিভ্যালের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

আরও পড়ুন-লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন এখন অতীত, সৈকতে কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন মিশমি

আরও পড়ুন-ভিড়েঠাসা মিয়ামির সমুদ্র সৈকতে তলিয়ে গেল হেলিকপ্টার, দেখুন ভিডিও

আরও পড়ুন-Kiara Advani Bikini: সাদা বিকিনিতে জলপরী কিয়ারা, সাগরপাড়ে অভিনেত্রীর চাবুক ফিগারে ফিদা নেটিজেনরা

একাধারে ভ্রমণ পিপাসু ও খাদ্যপ্রেমী মানুষদের জন্য এই বিচ কার্নিভ্যাল (Beach Carnival)যে জমে উঠবে সে কথা কিন্তু বলার অপেক্ষাই রাখছে না। পানাজি বিচ কার্নিভালকে সফল করার উদ্দেশ্যে FIERCE কিচেনসের সঙ্গে হাত মেলানো হয়েছে। সমুদ্র সৈকতের পাশে খাদ্যপ্রেমীদের জন্য থাকবে একটি ডেডিকেটেড জোন। স্থানীয় উদ্যোক্তারা তাঁদের উদ্ভাবনী খাবার প্রদর্শন করতে পারবে এই কার্নিভ্যালে। বলা বাহুল্য, অতিমারি করোনা পরিস্থিতিতে গোয়ার পর্যটন ব্যবসা যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তেমনই পকেটে টান পড়েছে সেখানের ছোট ব্যবসায়ীদেরও। তাই এই বিচ ফেস্টিভ্যালের হাত ধরে ফের নতুন আশার আলো দেখছেন তাঁরা। 

পানাজি কর্পোরেশনের কমিশনার অ্যাঞ্জেলো ফার্নান্ডেজ এই বিষয়ে জানিয়েছেন যে, মহামারির সময় গৃহবন্দি দশায় বহু মানুষ খাদ্যপ্রেমীতে পরিণত হয়েছে। তাই এই বছর সেই সমস্ত খাদ্যরসিক (foodpreneurs)মানুষদের এই বিচ ফেস্টিভ্যালে আসার আমন্ত্রন জানাচ্ছেন। ভিন্নস্বাদের খাবারের প্রতি তাঁদের উৎসাহকে আরেকটু তোল্লাই দিতে গোয়ার পানাজি শহরের এই বিচ ফেস্টিভ্যাল এক অন্যতম প্রয়াস বলে জানালেন তিনি।