দেশে বেড়ে চলেছে সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসন অনেক জায়গাতেই কড়া পদক্ষেপ করছে। আর তাতেই মাস্ক না পরে বাইরে বেরোনোর মাশুল গুনতে হল একটি ছাগলকে। তাকে গ্রেফতার করে সোজা শ্রীঘরে চালান কর পুলিশ। এমন অবাক করা কাণ্ডই ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কানপুরের বেকনগঞ্জ এলাকায়। 

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে একটি খবর, সঙ্গে ভিডিও। যাতে দাবি করা হয়, মাস্ক না পরে বাইরে ঘোরাঘুরি করার অপরাধে একটি ছাগলকে নাকি ‘গ্রেফতার’ করেছে পুলিশ। এই ঘটনা ঘিরেই আলোড়ন তৈরি হয়। ভিডিওটি ভুয়ো কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নেটিজেনদের অনেকেই। কিন্তু পুলিশের তরফেই জানানো হয়, মাস্ক না পড়ায় সত্যিই ছাগলটিকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এমন কাণ্ডে রীতিমত বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েনি নেটিজেনরা।

 

 

সচেতনতার অভাবে অনেক মানুষই মাস্ক ছাড়া এখনও বাড়ির বাইরে বেরিয়ে পড়ছেন। কিন্তু করোনা সংক্রান্ত সমস্ত স্বাস্থ্যবিধির মধ্যে সবচেয়ে জরুরি হল মাস্কের ব্যবহার। বাড়ির বাইরে পা দিলেই নাক, মুখ মাস্কে ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক। স্বাস্থ্যবিধি না মানলে কড়া শাস্তির পথেও হাঁটছে কোনও কোনও রাজ্য প্রশাসন। কিন্তু তাই বলে নিরীহ ছাগলটির মুখে মাস্কের বদলে দাড়ি থাকায় তাকে কেন গ্রেফতার করা হল, তা নিয়ে উঠতে থাকে একের পর এক প্রশ্ন। তবে রহস্যের সামাধান করে যোগী রাজ্যের পুলিশই।

আরও পড়ুন: সেরে উঠেছেন প্রায় ১০ লক্ষ , বর্তমানে ভারতে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষের সামান্য বেশি

জানা যায় মালিকের সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়েছিল ছাগলটি। মাস্ক না পরেই পথে নেমেছিল  ছাগলের মালিক। কিন্তু মাস্ক না থাকায় পুলিশ ধরতে গেলে চম্পট দেয় সে। তাই অগত্যা ছাগলটিকেই থানায় নিয়ে যায় কানপুর পুলিশ। 

আরও পড়ুন: টিপু সুলতানকে নিয়ে নয়া বিতর্ক, এবার কর্ণাটকের পাঠ্যপুস্তক থেকে বাদ গেল তাঁর অধ্যায়

পুলিশের জিপে করেই থানায় যায় করোনা স্বাস্থ্যবিধি অগ্রাহ্য করে  মাস্ক না পরে বেরোন ছাগলটি।। পরে খবর পেয়ে ছাগলটির মালিক থানায় গিয়ে অনেক অনুরোধ করে ছাগলটি ছাড়িয়ে আনেন। নিজে মাস্ক পরেবন সেই অঙ্গীকারও করেন।  আর ছাগলটি  যাতে বাইরে না ঘুরে বেড়ায় তা নিয়েও মালিককে সতর্ক করেছে পুলিশ।