লকডাউন হবে না। দেশের মানুষকে স্বস্তি দিয়ে একথা জানিয়ে দিয়েছিল কেন্দ্র। সোমবার সেই স্বস্তিকে আরও বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের ঘোষণা দেশের মানুষের জীবন ও জীবিকা বাঁচানোর লক্ষ্যেই কাজ করছে মোদী সরকার। করোনা পরিস্থিতিতে যাতে কোনও মানুষের পেটে টান না পড়ে তার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কেন্দ্র। 

নির্মলা সীতারমণের দাবি , কেন্দ্রের মোদী সরকার চায় রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করতে। এতে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার মোকাবিলার সহজ সমাধাান বেরিয়ে আসতে পারে। করোনা নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্র সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। 

আরও পড়ুন - কোভিডে ভয়াবহ অবস্থা, আগামীকাল থেকে বন্ধ রাজ্য়ের সকল সরকারি স্কুল

সোমবার দেশের বণিক মহলের সঙ্গে কথা বলার ফাঁকেই এই মন্তব্য করেন নির্মলা সীতারমণ। ২০২০ সালে লকডাউনে বেশ ক্ষতিগ্রস্থ দেশের অর্থনীতি। চাকরি গিয়েছে হাজার হাজার মানুষের। তাই নতুন করে ঝুঁকি নিতে রাজি নয় কেন্দ্র বলে এদিন জানান অর্থমন্ত্রী সীতারমণ। 

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের দাবি করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত হওয়ার আগেই অর্থনীতির হাল ধরতে চাইছে কেন্দ্র। সীতারমণের দাবি ২০২০ সালের অর্থবর্ষে প্রথম ত্রৈমাসিকে অর্থনীতির পুরো ২৩.৯ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির জেরেই এই অবস্থা হয়েছিল। সেই পথে তাই আর যাবে না কেন্দ্র বলে জানিয়ে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। 

সীতারমণ এদিন জানান, বণিক মহলের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয় সাধন করেই এগোবে কেন্দ্রের মোদী সরকার। দেশের অর্থনীতির ওপরে যাতে প্রভাব না পড়ে তার জন্য বেশ কয়েকজন শিল্পপতির সাথে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। 

এদিন অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন টিভিএস গ্রুপের চেয়ারম্য়ান ভেণু শ্রীনিবাসন, টাটা স্টিলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর টি ভি নরেন্দ্রন, এল অ্যান্ড টি-র চেয়ারম্য়ান এ এম নায়েক, টিসিএস-এর এমডি রাজেশ গোপীনাথন, মারুতি সুজুকি-র চেয়ারম্যান আর সি ভার্গভ, হিরো মোটো কর্পের এমডি পবন মুঞ্জাল, সিআইআই সভাপতি উদয় কোটাক, ফিকির প্রেসিডেন্ট উদয় শঙ্কর, অ্যাসোচ্যামের প্রেসিডেন্ট বিনীত আগরওয়াল।