ASI এর প্রতিনিধিরা সমীক্ষা প্রতিবেদনটি তৈরি করার জন্য আরও বেশি সময় চাইছে। বারাণসী আদালতের সিদ্ধান্ত পরবর্তী শুনানিতে। 

জ্ঞানবাপী সমজিদ মামলার প্রত্নতাত্ত্বিক সমীক্ষা শেষ করতে ও তার রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য বারাণসী আদালতের কাছে আরও আট সপ্তাহ অতিরিক্ত সময় চাইল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা ASI। শনিবার আদালতে আবেদন করেছিল ASI। তবে বারাণসী আদালত জানিয়েছে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর এই বিষয়ে পরবর্তী শুনানি হবে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রাথমিকভাবে জ্ঞানবাপী মসজিদ প্রাঙ্গনে সমীক্ষার প্রতিবেদন ২৮ তম দিনে জমা দেওয়ার কথা ছিল ASI এর। কিন্তু তার আগেই হিন্দু পক্ষের আইনজীবী দাবি করেছিলেন যে ASI এর প্রতিনিধিরা সমীক্ষা প্রতিবেদনটি তৈরি করার জন্য আরও বেশি সময় চাইছে। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী জৈন জানিয়েছেন, ' প্রতিবেদন তৈরি করার জন্য আদালতে ASI কে অতিরিক্ত সময় দেবে কিনা তা পরবর্তী শুনানিতে স্পষ্ট হবে। ' তিনি আরও জানিয়েছেন, আদালত পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্ত্বরে পুলিশ মোতায়েন বাড়ান হবে।

এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশে গত ৪ অগাস্ট থেকে ASI জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলার প্রত্নতাত্ত্বিক সার্ভে শুরু করেছিল। মসজিদ চত্ত্বরের অনেক স্পট ইতিমধ্যেই সার্ভের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে। সমীক্ষা দলের ৪০ জন সদস্য রয়েছে। যারা গত ২৭ দিন ধরেই এই সমীক্ষার কাজে নানা ভাবে অংশ নিয়েছে। ASI দলের সদস্যরা মসজিদের মধ্যে ওযাজু করার জায়গাটি বাদ দিয়ে সর্বত্রই সমীক্ষার কাজ করেছে। এই স্থানটি আগেই সুপ্রিম কোর্ট সিল করে দিয়েছিল। এই জায়গায় সার্ভের নির্দেশও দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট।

আগেই বারাণসী আদালত জ্ঞানবাপী মসজিদের সার্ভের জন্য আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াতে মাত্র ৪ সপ্তাহ সময় দিয়েছে। এই চার সপ্তাহের মধ্যে সমীক্ষা করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ২ সেপ্টেম্বর। বৃহস্পতিবার এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রীতঙ্কর দিওয়াক বলেছেন, ASIকে আশ্বাস বা বিশ্বাস না করার করার কোনও কারণ নেই। জরিপে কাঠামোর কোনও ক্ষতি করা যাবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন,সমীক্ষার অংশ হিসেব মসজিদে কোনও খনন করা যাবে না। বিতর্কিত প্রাঙ্গনে একটি সমীক্ষার জন্য জেলা আদালতের আদেশ ন্য়ায়সঙ্গত ও হাইকোর্ট এতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। আগেই এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রীতঙ্কর দিওয়াকর উভয় পক্ষের যুক্তি শোনেন। ২৭ জুলাই মসজিদ কমিটির আবেদনের ভিত্তিতে মামলার রায় সংরক্ষণ করেন। এদিন আদালত রায় ঘোষণা করেছে। তাতেই ASI-এর সমীক্ষার ওপর আস্থা রাখা হয়েছে।