হাথরস গণধর্ষণ কাণ্ডে বড় আপডেট। সাসপেন্ড করা হল হাথরসের পুলিশ সুপার (এসপি), ডেপুটি পুলিশ সুপার (ডিএসপি), স্টেশন ইন্সপেক্টর এবং আরও দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে। এর মাত্র কয়েক ঘন্টা আগেই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছিলেন, মহিলাদের মর্যাদাহানি করার কথা যদি কেই ভাবেও তাদের 'সম্পূর্ণ ধ্বংস' করা হবে। অন্যদিকে টুইট করে বিজেপি নেত্রী উমা ভারতী বলেছিলেন এই ঘটনায় উত্তরপ্রদেশ সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। তারপরই সরকারের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হল, যা ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা বলেই মনে করা হচ্ছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এসপি বিক্রান্ত বীর, ডিএসপি রাম শব্দ, স্টেশন ইন্সপেক্টর দীনেশ ভার্মা, এসআই জগবীর সিং, এবং হেড কনস্টেবল মহেশ পালকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে এই পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে সঙ্গে ডিএম প্রবীণ লক্ষকর-এর উপরও কোপ পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার, একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তাঁকে মৃতা মেয়েটির বাবাকে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিতে দেখা গিয়েছিল।

এদিন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেত্রী উমা ভারতী বেশ কেকটি টুইট করে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যোদী আদিত্যনাথ খুবই স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষ। কিন্তু, এই ঘটনায় যেবাবে পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুত মেয়েটির দেহ সৎকার করা হযেছে এবং এখন গ্রামে পাহারা দিয়ে রাখা হয়েছে নির্যাতিতার পরিবারকে, তাতে পুলিশের কর্মকান্ড নিয়ে সন্দেহের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। রামমন্দিরের শিলান্যাস করে যেখানে রামরাজ্য ফিরিয়ে আনার কথা বলা হচ্ছে সেখানে পুলিশের এই সন্দেহজনক আচরণে যোদী আদিত্যনাথ, উত্তরপ্রদেশ সরকার এবং বিজেপি দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। তিনি যোগীকে অনুরোধ করেন, নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতা ও সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের কথা বলার সুযোগ দিতে।