- Home
- India News
- Govt Job Time: ১৫ বছরের বেশি করা যাবে না সরকারি চাকরি! বিরাট প্রস্তাব আনতে চলেছে কেন্দ্র
Govt Job Time: ১৫ বছরের বেশি করা যাবে না সরকারি চাকরি! বিরাট প্রস্তাব আনতে চলেছে কেন্দ্র
সরকারি চাকরিজীবীদের কাজের মেয়াদ কমিয়ে ১০ থেকে ১৫ বছর করার প্রস্তাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী। তরুণদের আরও বেশি কাজের সুযোগ দিতে এবং এক পরিবারে মাত্র একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়ার জন্যই তাঁর এই বিতর্কিত প্রস্তাব।

সরকারি চাকরিজীবীদের কাজের মেয়াদ কমিয়ে ১০ থেকে ১৫ বছর করার প্রস্তাব। এই প্রস্তাব ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বর্তমানে একজন কর্মী ৩০-৩৫ বছর কাজ করায় তরুণরা সুযোগ হারাচ্ছেন। তাই মেয়াদ কমানোর কথা বলা হয়েছে। এই প্রস্তাবের পিছনে মূল কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে যে সরকারি কর্মীদের চাকরির মেয়াদ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা গেলে আরও বেশি পরিবারের সদস্য সরকারি চাকরির সুযোগ পেতে পারেন।
বিশেষ করে বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই প্রস্তাব বলে জানা যাচ্ছে। বর্তমানে বহু সরকারি কর্মী দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে চাকরি করেন। ফলে নির্দিষ্ট পদে নতুন নিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে সময় লাগে।
কেন্দ্রের ভাবনা অনুযায়ী, চাকরির মেয়াদ ১৫ বছরে সীমাবদ্ধ করা গেলে তুলনামূলক কম সময়ে শূন্যপদ তৈরি হতে পারে। সেই পদে নতুন প্রার্থী নিয়োগের সুযোগও বাড়তে পারে। তাঁর প্রস্তাবের অন্যতম লক্ষ্য, প্রতিটি পরিবারে অন্তত একজনের সরকারি চাকরির সুযোগ তৈরি করা। এই প্রস্তাব কার্যকর হলে সরকারি নিয়োগের কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
তবে চাকরির মেয়াদ কমানো হলে কর্মীদের অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তা, পেনশন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা কীভাবে নির্ধারিত হবে, তা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে নিয়োগের নিয়ম এবং অভিজ্ঞ কর্মীদের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।
১০-১৫ বছর কাজ করার পর যারা চাকরি থেকে অবসর নেবেন, তাঁদের জন্য পেনশনের ব্যবস্থাও রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। কুমারস্বামী মনে করেন, দেশের বেকারত্ব দূর করতে একটি পরিবার থেকে মাত্র একজনেরই সরকারি চাকরি করা উচিত।
এখানে মনে রাখা প্রয়োজন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রস্তাব মানেই কেন্দ্রীয় সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। এখনও পর্যন্ত সরকারি চাকরির মেয়াদ ১০ থেকে ১৫ বছর করার কোনও কার্যকর নির্দেশিকা বা নিয়ম পরিবর্তনের ঘোষণা নিশ্চিত করা যায়নি।
ফলে চাকরিপ্রার্থীদের এখনই চাকরির নিয়ম বদলে যাচ্ছে বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়। কেন্দ্রীয় সরকার এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা বিজ্ঞপ্তি জারি করে কি না, সেদিকেই নজর থাকবে।







