মঙ্গলবার, রাত ১১.৫৯ মিনিট থেকে স্থগিত হয়ে যাচ্ছে ভারত-বির্টেনের মধ্যে উড়ান যোগাযোগ। কিন্তু, তারপরেও ব্রিটেনে ছড়িয়ে পড়া করোনার নতুন রূপান্তর ছড়িয়ে পড়তে পারে ভারতে। কারণ গত কয়েক সপ্তাহে ব্রিটেন থেকে বহু মানুষ এসেছেন ভারতে। সেই সবদিক বিচার করে, মঙ্গলবার, গত চার সপ্তাহের মধ্যে ব্রিটেন থেকে ভারতে আগত ব্যক্তিবর্গের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করল ভারত সরকার।

এই নির্দেশিকা অনুযায়ী ব্রিটেন থেকে আগতদের, তাঁরা গত ১৪ দিনে কোথায় কোথায় গিয়েছেন তা জানাতে হবে। তারপর সকলের আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করা হবে। করোনাভাইরাসের নতুন রূপটি যাদের দেহে মিলবে, তাদের সঙ্গে সঙ্গে কোয়ারেন্টাইন করা হবে। সাধারণ করোমনাভাইরাস রোগীদের থেকেও আলাদা ভাবে রাখা হবে তাঁদের। এই যাত্রীদের সঙ্গে যাঁরা এসেছেন, অর্থাৎ তাঁদের সহযাত্রীদের করোনা ধরা না পড়লেও বাধ্যতামূলকভাবে কোযারেন্টাইনে থাকতে হবে। গত চার সপ্তাহ - ২৫ নভেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বরের মধ্য়ে যুক্তরাজ্য থেকে আসা সব যাত্রীদের এই নির্দেশিকা মানতে হবে। এমনকী অন্য দেশ থেকে যুক্তরাজ্য হয়ে আসলেও এই নির্দেশিকা মানতে হবে।

এদিন এই এসওপি প্রকাশ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ইউরোপিয় সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (ইসিডিসি)-এর মতে ভাইরাসের এই নতুন রূপটি আরও বেশি সংক্রমণযোগ্য এবং তরুণ জনগোষ্ঠীর উপর এর প্রভাব বেশি পড়তে পরে। নতুন করোনাভাইরাস অর্থাৎ সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের জিনের ১৭টি পরিবর্তন ঘটে এই নয়া রূপান্তরটি তৈরি হয়েছে। আর এই জিনগত পরিবর্তনগুলির মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল এর সংক্রামক ক্ষমতা বৃদ্ধি। অত্যন্ত সহজেই এই নয়া করোনা, মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।