বক্তৃতার সময় শুরু হল আজান, তখনই এটা কী করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ!

| Oct 05 2022, 04:24 PM IST

বক্তৃতার সময় শুরু হল আজান, তখনই এটা কী করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ!

সংক্ষিপ্ত

তিন দিনের সফরে জম্মু ও কাশ্মীর পৌঁছেছেন অমিত শাহ। আজ তৃতীয় দিনের মতো উত্তর কাশ্মীরের বারামুল্লায় এক জনসভায় ভাষণ দেন তিনি।

ষ্ঠিত হচ্ছে, তাই আমি আমার কথা বন্ধ করে দিয়েছি। তাহলে এখন কথা বলব?' জনসাধারণের কাছে অনুমতি নিয়ে আবার ভাষণ শুরু করেন তিনি। উল্লেখ্য, তিন দিনের সফরে জম্মু ও কাশ্মীর পৌঁছেছেন অমিত শাহ। আজ তৃতীয় দিনের মতো উত্তর কাশ্মীরের বারামুল্লায় এক জনসভায় ভাষণ দেন তিনি।

এর আগে, জম্মু ও কাশ্মীরে তিন দিনের সফরে আসা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দ্বিতীয় দিনে রাজৌরিতে পৌঁছলে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। 'ভারত মাতা কি জয়' স্লোগানের সাথে এখানে একটি বিশাল জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ৩৭০ ধারাকে সমর্থনকারীদের নিন্দা করেন। অমিত শাহ বলেন যে আজকের সমাবেশ যারা ৩৭০ ধারা সমর্থন করে তাদের উপযুক্ত জবাব। এ উপলক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপত্যকার মানুষের প্রশংসা করে বলেন, যখনই ভারতের ওপর কোনো বিপদ এসেছে, তখনই আমার পাহাড়ি ভাই ও গুজ্জর, বাকরওয়ালরা পাথরের মতো দাঁড়িয়েছে। রাজৌরি-পুঞ্চের এই মানুষদের বীরত্বকে স্যালুট জানাচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং গোটা দেশ।

Subscribe to get breaking news alerts

অমিত শাহ বলেন, আপনারা ভারতের নিরাপত্তার দুর্ভেদ্য গেট বানিয়েছেন এবং সারা দেশ তাই নিরাপদে ঘুমোতে পারছে।  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানে বলেন যে তিনটি পরিবার জম্মু ও কাশ্মীরে শাসন করেছিল এবং গুজ্জর বাকারওয়ালদের অধিকার দেয়নি। তারা গণতন্ত্রের নামে তাদের পরিবার পরিচর্যা করেছে। পঞ্চায়েতে কেউ প্রতিনিধিত্ব পায়নি।

শাহ বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রথমে জম্মু ও কাশ্মীরে পঞ্চায়েত নির্বাচন পরিচালনা করেছিলেন এবং আগে যা ছিল তিনটি পরিবার নিয়ে, এখন ত্রিশ হাজার জনপ্রতিনিধি তার সুযোগ পেয়েছে। একই সময়ে, ৩৭০ ধারার উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন যে ৩৭০ ধারা যদি এই রাজ্য থেকে না চলে যেত, তাহলে তফসিলি উপজাতিরা সংরক্ষণ পেত না। এখন পাহাড়িরাও তাদের অধিকার পেতে চলেছে গুজ্জর বাকরওয়ালদের সঙ্গে। একই সময়ে, জম্মু ও কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অমিত শাহ বলেছেন যে ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পরে, সন্ত্রাসবাদী ঘটনা হ্রাস পেয়েছে। কাশ্মীরে পাথর নিক্ষেপও বন্ধ হয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর আত্মত্যাগের ঘটনাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

Read more Articles on