হায়দরাবাদে মার্কিন কনস্যুলেটের পাশের একটি রাস্তার নাম রাখা হয়েছে 'ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ'। এই সম্মানের জন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তেলেঙ্গানা সরকারের এই উদ্যোগ ভারত-মার্কিন সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

হায়দরাবাদে তাঁর নামে রাস্তার নামকরণ হওয়ায় ভারতকে ধন্যবাদ জানালেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যালে' একটি পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, "হায়দরাবাদে নতুন ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ— এই প্রথম কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এভাবে সম্মান জানানো হলো। ধন্যবাদ!"

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ট্রাম্পের নামে রাস্তা হায়দরাবাদে

মঙ্গলবার হায়দরাবাদে মার্কিন কনস্যুলেটের পাশের একটি রাস্তার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে "ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ" রাখা হয়। আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই নামফলক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সেরজিও গোর এবং তেলেঙ্গানার উপ-মুখ্যমন্ত্রী মাল্লু ভাট্টি বিক্রমার্কা।

"ফ্রিডম ২৫০" নামের এই অনুষ্ঠানে কূটনীতিক, সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যবসা, মহাকাশ, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এই উপলক্ষে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তেলেঙ্গানা সরকারের এই বিশেষ উদ্যোগ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি ভারত-মার্কিন সম্পর্ক মজবুত করতে হায়দরাবাদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকারই প্রতিফলন।

রাষ্ট্রদূত গোরের উপস্থিতি

রাষ্ট্রদূত গোর এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিক্রমার্কার পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি এবং হায়দরাবাদের মার্কিন কনসাল জেনারেল লরা উইলিয়ামসও অংশ নেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত গোর বলেন, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে হায়দরাবাদের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। তিনি বলেন, "আমাদের সম্পর্কের দ্রুতগতি হায়দরাবাদের চেয়ে বেশি আর কোথাও স্পষ্ট নয়। হাইটেক সিটি থেকে শুরু করে মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা পর্যন্ত, এই অঞ্চলটি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গতিকে তুলে ধরে।"

দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, "আমাদের অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি এবং 'মিশন ইন্ডিয়া'র মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি নতুন বিনিয়োগ আসতে চলেছে। আমরা প্রমাণ করছি যে 'আমেরিকা ফার্স্ট' মানে এই নয় যে আমেরিকা একা চলবে।"