Asianet News BanglaAsianet News Bangla

জেলে ঢুকেই মাংস-ভাত, রাত জাগল হায়দরাবাদ ধর্ষণকাণ্ডের অভিযুক্তরা

  • সকালে ডাল-ভাত বিকেলে মটন কারি দিয়ে ভুরিভোজ
  • জেলে দিব্য়ি রইল হায়দরাবাদের পশু চিকিৎসক ধর্ষণের অভিযুক্তরা
  •  তবে খেয়েও জেলে প্রথম দিন ঘুমোতে পারেনি কেউ
  • কীভাবে হয়েছিল এই নির্মম হত্যাকাণ্ড তা জানতে পেরেছে পুলিশ
Hyderabad rape accused got mutton curry in jail meal
Author
Kolkata, First Published Dec 2, 2019, 10:46 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

ধর্ষণে ফাঁসির সাজা চাইছে সারা দেশ। অথচ যাদের জন্য এই মৃত্যুদণ্ডের দাবি, তারাই রইল বহাল তবিয়তে। জেলের প্রথম দিন মাংস-ভাত দিয়েই শুরু করল হায়দরাবাদ ধর্ষণকাণ্ডের অভিযুক্তরা। 

বিচার এখনও শুরু হয়নি। তাদের বাইরে পেলে 'ছিঁড়ে খাবে' দেশ। অথচ তারাই কিনা দিব্য়ি রইল জেলের ভিতরে। সকালে ডাল-ভাত বিকেলে মটন কারি দিয়ে ভুরিভোজ সারল হায়দরাবাদের পশু চিকিৎসক ধর্ষণের অভিযুক্তরা। তবে চব্য চোষ্য় করে খেয়েও জেলে প্রথম দিন ঘুমোতে পারেনি কেউ। সূত্রের খবর , তেলেঙ্গানার চেরলাপল্লি জেলে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার মধ্য়ে রাখা হয়েছে গণধর্ষণে অভিযুক্তদের। শুক্রবার বাড়ি থেকে গ্রেফতারের পর সোজা গারদে ভরা হয় মূল অভিযুক্ত মহম্মদ আরিফকে। বাদ যায়নি গণধর্ষণে অভিযুক্ত জল্লু শিবা, জল্লু নবীন ও চিন্তকুন্তা কেশভুল্লু। তাদেরও জেলে পুরেছে পুলিশ। 

জেলের তরফে জানানো হয়েছে,ধর্ষণে অভিয়ুক্তদের আলাদা দেখভালের জন্য মটন কারি খাওয়ানো হয়নি। জেলের নিত্যদিনের খাবারের তালিকা মেনেই মাংস-ভাত  জুটেছে তাদের কপালে। জেলে আসার পর থেকেই প্রতিনিয়ত নজর রাখা হয়েছে অভিযুক্তদের ওপর। এদের মধ্যে মহম্মদ আরিফ ষড়যন্ত্রের মূল পান্ডা। নির্যাতিতা দিশার (নাম পরিবর্তিত) স্কুটি পানচার করার ফন্দি আঁটে এই আরিফ। পরে তার কথা মেনেই হায়দরাবাদের পশু চিকিৎসককে ফাঁদে ফেলে বাকিরা। 

গত বুধবার তেলেঙ্গানার সামশাবাদে ২৬ বছরের যুবতীতে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে মারে অভিযুক্তরা। জানা গেছে, সামশাবাদ টোল প্লাজার কাছে নির্যাতিতা স্কুটি পার্ক করতেই ফন্দিটা মাথায় আসে আরিফের। চটিজলদি বাকিদের দিশার স্কুটি পানচার করতে বলে সে। নির্যাতিতার নজর থেকে স্কুটি আড়াল হতেই তার পিছনের চাকা পানচার করে দেয় অভিযুক্তদের একজন। পরে ভালো মানুষ সেজে তারাই স্কুটি ঠিক করার কথা বলে। পানচার টায়ার ঠিক করতে কিছুক্ষণ ঘুরেও আসে একজন। পরে কোনও দোকান খোলা নেই বলে দায় এড়ায় বাকিরা। 

দিশা বাড়ির দিকে যেতে গেলেই শুরু হয় জোর জবরদোস্তি। কিছুক্ষণের মধ্যেই পশু চিকিৎসকের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। প্রমাণ মিটাতে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় নির্যাতিতার দেহ। পরদিন সকালে হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু জাতীয় সড়কের এক কালভার্টের নীচ থেকে উদ্ধার হয় দিশার দলা পাকানো দেহ। ইতিমধ্যেই দিশার অপরাধীদের মত্যুদণ্ডের দাবি করেছে গোটা দেশ। ধর্ষণে ফাঁসির সাজা চেয়েছে বিজেপি, তৃণমূল। নির্ভয়াকাণ্ডের পর ফের দেশে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে রাস্তায় নেমেছে দেশবাসী। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতিতার আসল নাম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।  নতুন করে দিশাকে নিয়ে হ্যাসট্যাগ হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios