ফের বঙ্গোপসাগরে ঘণাচ্ছে ঘূর্ণিঝড়। সোমবার ভারতের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ওড়িশার উত্তরাংশে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ০.৯ কিলোমিটার থেকে ৬.৬ কিলোমিটার উচ্চতার একটি ঘূর্ণিঝড়ে সঞ্চালন ধরা পড়েছে। মাত্র কিছুদিন আগেই আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়েছিল মহারাষ্ট্রে। তার কয়েকদিন আগেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছিল সুপার সাইক্লোন আমফান। যার দাপটে ওড়িশা উপকূলের কিছু অংশ আর পশ্চিমবঙ্গের বিস্তির্ণ এলাকা তছনছ হয়ে গিয়েছে। সেই ধাক্কা সামলানোর আগেই কি ফের বঙ্গে হানা দেবে এই নতুন ঘূর্ণিঝড়?

দিল্লির মৌসম ভবন থেকে এই ঘূর্ণিঝড়ের গতিপ্রকৃতি এখনও পুরোপুরি নির্ধারণ করা যায়নি। তবে তাদের অনুমান, ঘূর্ণিঝড়টি সম্ভবত আগামী দুই দিনের মধ্যে উত্তর-পশ্চিম দিকে দাবিত হবে। অর্থাৎ এই যাত্রা অন্তত কলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলিতেও এই ঝড়ের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

চলতি মাসের শুরুতেই ৩ জুন মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার মুড়ুদ এবং রেভদান্দা এলাকার মাঝে আছড়ে পড়েছিল আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ। মুম্বই তথা মহারাষ্ট্রে তার আগে শেষবার বড়সড় ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল ১৯৬১ সালে। ঘূর্ণিঝড় নিসর্গের ঝোড়ো বাতাসের গতিবেগ ছিল প্রতি ঘন্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার।

তবে তার আগের মাসে আরও ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় আমফান কাঁপিয়ে দিয়ে গিয়েছিল ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি এলাকাকে। পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশের উপকূলীয় এক অঞ্চলে সে স্থলে প্রবেশ করেছিল। তারপর থেকে ১৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টাবেগে বয়ে গিয়ে পথে যা যা পেয়েছে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী রাজ্যের ৬ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিলেন।