কেরল বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাস হল বাম সরকারের আনা কৃষি আইন বিরোধী প্রস্তাব। আর এই প্রস্তাবে  নির্দিষ্ট কিছু বিষয় ছাড়া সম্মতি জানালেন কেরল বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক ও রাজাগোপাল। যা নিয়ে এর মধ্যেই সরগরম রাজ্যরাজনীতি। কারণে কেন্দ্রের আনা কৃষি আইনের বিরুদ্ধ গিয়েই প্রস্তাব পাশ করিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। 

ও রাজাগোপাল জানিয়েছেন, আলোচনার সময় রেজিউলেশন নির্দিষ্ট কিছু বিষয় নিয়ে তিনি আপত্তি জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন এই আইন তিনটি কৃষকদের স্বার্থে। মধ্যস্থতাকারী বা এজেন্টদের ছাড়া এবার কৃষকরা তাদের তৈরি ফসল বিক্রি করতে পারবে। এই দাবিগুলি অনেক দিন আগেই সিপিএম  ও কংগ্রেস জানিয়েছিল। তেমনই সওয়াল করেছেন তিনি। কিন্তু প্রস্তাব নিয়ে ভোটদানের সময় বিষয়টি নিয়ে তিনি কোনও আপত্তি জানননি। প্রস্তাবটি যাতে সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয় তারও পথ তিনি তৈরি করেদেন তিনি। বিধানসভার অধিবেশন শেষ হয়ে যাওয়ার পর রাজাগোপাল জানিয়েছেন, তিনি কেরল সরকারের আনা প্রস্তাবের সপক্ষেই ভোট দিয়েছেন। কিন্তু তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের আনা কৃষি আইনের বিরোধিতা করেন এমন নয়। রাজ্য সরকারের আনা প্রস্তাবটি পাশ করার জন্যই তিনি সপক্ষে ভোট দিয়েছেন। 


তাঁর এই সিদ্ধান্ত দলের সিদ্ধান্ত কিনা তা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন দল তাঁর সিদ্ধান্তের পক্ষে সহমত পোষণ নাও করতে পারে।  তিনি বলেন এই সমঝোতা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থারই একটি অংশ। তিনি বলেন কেরল নির্দিষ্ট কিছু আপত্তি ছাড়া তিনি কেরল সরকারের আনা প্রস্তাবের সঙ্গে সহমত হয়েছে। যেসব অংশগুলি নিয়ে তাঁর সঙ্গে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে সেগুলিও তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন। রাজাগোপাল কেরল বিধানসভার একমাত্র বিজেপি বিধায়ক। তিনি দলের এক প্রবীন নেতাও। দলের তাঁর এই পদক্ষেপে কিছুটা হলেও সমস্যায় পড়ছে বিজেপি।