আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত ইন্ডোরে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়কে দেবী অহল্যা পুরষ্কার প্রদানের জন্য আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেলেন। 

ভারতের স্বাধীনতা নিয়ে আবারও বিতর্ক উস্কে দিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত। তিনি বলেছেন, রাম মন্দির নির্মাণ দিবসেই ভারত তার 'প্রকৃত স্বাধীনা' অর্জন করেছে। তাঁর মতে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার তারিখটি 'প্রতিষ্ঠা দ্বাদশী' হিসেবে উদযাপন করা উচিৎ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরএসএস প্রধান মোহন ভগবত ইন্ডোরে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়কে দেবী অহল্যা পুরষ্কার প্রদানের জন্য আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেলেন। সেখানেই তিনি ভারতের স্বাধীনতা দিবস নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, '১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশদের কাছ থেকে ভারত রাজনৈতিক স্বাধীনতা লাভের পর, সেই নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির দেখান পথ অনুসারে একটি লিখিত সংবিধান প্রণয়ন করা হয়েছিল। যা দেশের দেশের "নিজস্বতা" থেকে অনেকটাই আলাদা। কিন্তু সেই সময়ের দৃষ্টিভঙ্গির চেতনা অনুসারে দলিলটি পরিচালিত হয়নি।' তাঁর কথায় সেই সময় ভারত স্বাধীন হলেও ভারতবাসীর স্বপ্ন স্বার্থক হয়েছে এমনটা বলা যায় না। ভারতবাসীর স্বপ্ন স্বার্থক হয়েছে রাম মন্দির নির্মাণের পরই। তিনি আরও বলেছেন, আক্রমণকারীরা এই দেশের মন্দির ভেঙেছিল। কারণ তাদের উদ্দেশ্য ছিল ভারতের নিজস্ব ভাবনা বা আদর্শকে ধ্বংস করে দেওয়া। রাম মন্দির আন্দোলন কারও প্রতি বিরোধিতা ও বিদ্বেষ তৈরির জন্য করা হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, ভারতের নিজস্বতা ফিরিতে আনতেই রাম মন্দির আন্দোলন শুরু করা হয়েছিল। যাতে ভাত নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বকে পথ দেখাতে পারে।

আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত বলেন, 'রাম মন্দির আন্দোলনের দিনটি প্রতিষ্ঠা দ্বাদশী হিসেবে উদযাপন করা উচিৎ। কারণ এই দিনটি ভারত প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। বহু শতাব্দী ধরে শত্রু আক্রমণের মুখোমুখি হয়েছিল ভারত।' তিনি আরও বলেন, আগে এই দিনটিকে বলা হত বৈকুণ্ঠ দ্বাদশী। তবে এবার থেকে এই দিনটিকে প্রতিষ্ঠা দ্বাদশী বলা উচিৎ।

হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে অযোধ্যায় রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়েছিল পৌষ মাসের শুক্লপক্ষের দ্বাদশীতে। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে তারিখটি ছিল ২২ জানুয়ারি ২০২৪। এই বছর পৌষ শুক্লপক্ষ দ্বাদশী পড়েছিল ১১ জানুয়ারি।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।