রাশিয়ার কাছ থেকে আরও একটি অত্যাধুনিক S-400 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পেতে পারে ভারত। ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পঞ্চম ও শেষ রেজিমেন্ট ভারতের হাতে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ২০১৮ সালে রাশিয়ার সঙ্গে করা মূল প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় পাঁচটি S-400 রেজিমেন্ট কেনার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। তবে সরবরাহের নির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

রাশিয়ার কাছ থেকে আরও একটি অত্যাধুনিক S-400 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পেতে পারে ভারত। ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পঞ্চম ও শেষ রেজিমেন্ট ভারতের হাতে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ২০১৮ সালে রাশিয়ার সঙ্গে করা মূল প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় পাঁচটি S-400 রেজিমেন্ট কেনার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। তবে সরবরাহের নির্দিষ্ট তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ২০১৮ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার সঙ্গে S-400 কেনার চুক্তি করে ভারত। চুক্তির মূল্য ছিল প্রায় ৫.৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর আওতায় মোট পাঁচটি রেজিমেন্ট সরবরাহ করার কথা ছিল। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরবরাহে বিলম্ব হয়। এখনও পর্যন্ত চারটি রেজিমেন্ট ভারতের হাতে এসেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

কেন এত গুরুত্বপূর্ণ S-400?

S-400 হল রাশিয়ার তৈরি দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং নির্দিষ্ট ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের মতো আকাশপথের হুমকি শনাক্ত করা ও প্রতিহত করার জন্য এই ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় রয়েছে উন্নত রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারী যান এবং কমান্ড সিস্টেম। বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে দূরপাল্লায় আকাশপথের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে S-400। ফলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ও কৌশলগত এলাকাগুলির সুরক্ষা আরও মজবুত করার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

অপারেশন সিঁদুরের পর বাড়ছে গুরুত্ব

২০২৫ সালের মে মাসে অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে S-400-এর গুরুত্বও নতুন করে সামনে আসে। এই ব্যবস্থা ভারতের বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা পরিকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আরও পাঁচটি S-400 কেনার পরিকল্পনা

শুধু আগের চুক্তির সরবরাহ সম্পূর্ণ করাই নয়, S-400-এর সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনাও করছে ভারত। ২০২৬ সালের মার্চে অতিরিক্ত পাঁচটি S-400 রেজিমেন্ট কেনার প্রস্তাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদন মিলেছে বলে সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে। এই নতুন প্রস্তাবের মূল্য ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি হতে পারে। তবে এটি আগের চুক্তির বাইরে পৃথক ক্রয়প্রক্রিয়া।