করোনাভাইরাসের টিকাকরণের জন্য প্রস্তুত ভারত। তবে ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল-এর একটি যোগাযোগ প্যাকেজ থাকতে হবে। যেটি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত ভ্যাকসিনগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে। জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন।  

সৌম্যা স্বামীনাথনের কথায় বেশ কয়েকটি ভারতীয় ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডিসিজিআই-এর অনুমোদিতে ভ্যাকসিন গুলির বিভ্রান্তিকর পদ্ধতি নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। তাই যতক্ষণ অনুমোদনের বিশয়টি বিবেচনা করা হয় ততক্ষণ সবকটি যোগাযোগ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখা অত্যান্ত জরুরি বলেও মনে করেন তিনি। সৌম্যা স্বামীনাথন বলেছেন ভ্যাকসিনগুলি কীভাবে আর কীসের ভিত্তিতে অনুমোদিত হচ্ছে তার একটি স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

সৌম্যা স্বামীনাথন বলছেন ভারতে বেশ কয়েকটি করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক পাওয়া যাবে আগামী দিনে। যার মধ্যে কয়েকটি দেশে তৈরি হবে। আর কয়েকটি আসবে বিদেশ থেকে। তাই সব টিকাগুলিরে একটি তালিকা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দেশ সেই তালিকা তৈরি করেছে। তিনি বলেন, টিকাগুলির বেঞ্চমার্কগুলি কী হতে চলেছে ও নিয়মগুলি কী হতে চলেছে-- সেই বিধিগুলি সকলের জন্য এক কিনা তা নিশ্চিত করে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন স্বাভাবিক পদ্ধতিতে টিকাগুলি পরীক্ষা করার সুযোগ রয়েছে। আর বিশ্ব জুড়ে তা সম্পন্ন হতে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে। 


তিনি আরও বলেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে ভ্যাকসিনগুলির জরুরি তালিকা তৈরির মানদণ্ড, সুরক্ষা ও কার্যকারিতা ও উৎপাদনের মানের জন্য নূন্যতম মানদণ্ড নির্ধারণ করেছিল। সেই মাণদণ্ডই অনুসরণ করতে হবে।  টিকাকরণ কর্মসূচি নিয়ে তিনি বলেছেন ভারত ভালো কাজ করছে। তিনি বলছেন যে পরীক্ষা চালান হয়েছে, তাতে সকল স্তর যুক্ত করা হয়েছে। জেলা পর্যায় থেকে শুরু করে স্থানীয় পর্যায় উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নির্দেশিকা সরবরাহ করা হয়েছে। ভোরের টিকা সরবরাহের চেনেরও প্রশংসা করেছেন তিনি।