নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন এলাকায় মেনে চলা হবে সংঘর্ষবিরত চুক্তি। এই বিষয়ে ভারতের সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছে পাকিস্তানও। বৃহস্পতিবার একটি যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ রেখা ও অন্যান্য খাতে বারবার সংঘর্ষবিরতি চুক্তি সংক্রান্ত সমস্ত শর্ত মেনে চলা হবে। বুধবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয়েছে সংঘর্ষবিরতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত। 

২০০৩ সালে ভারত ও পাকিস্তান সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। কিন্তু বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে চুক্তি পালনের থেকে অফিসাল কাজই বেশি হয়েছে। কিন্তু চুক্তিটিকে কার্যকর করতে নতুন করে আলোচনা হয়েছিল দুই দেশের মধ্যে। মিলিটারি অপারেশনস -এর প্রধাম বা ডিজিএম হটলাইন যোগাযোগের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ রেখা ও অন্যান্য সমস্ত সেক্টরে মুক্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করার বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা করেন। সীমান্তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও শান্তি স্থাপনের স্বার্থে দুই ডিজিএম বৈঠক করেন। সেখানে একে অপরের উদ্বেগ দূর করতে তাঁরা সক্ষম হয়েছেন বলেও সেনা সূত্রে জানান হয়েছে। 

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে ভারত পাকিস্তান দুই পক্ষই ২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্য়রাত থেকে নিয়ন্ত্রণ রেখা ও অন্যান্য সেক্টরে সমস্ত চুক্তি মেনে চলবে। গুলি চানালো বন্ধ করার বিষয়ে একমত হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে পুনরায় হটলাইনে যোগাযোগ  ও সীমান্ত পতাকা বৈঠকের প্রক্রিয়াগুলি অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি বা ভুল বোধাবুঝি সমাধানের জন্য ব্যবহার করা হবে। মে মাসের গোড়ার দিতে লোকসভায় একটি লিখিত প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জি কিশান রেড্ডি বলেছিলেন গত তিন বছরে ১০ হাজারেও বেশি পাকিস্তান সীমান্ত যুদ্ধ বিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। আর তাতে নিরাপত্তারক্ষীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও মৃত্যু হয়েছে।  

সোশ্যাল মিডিয়া ও OTT প্ল্যাটফর্মের জন্য কড়া নির্দেশিকা, ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ঘোষ...

কেন্দ্রীয় বাহিনীর বুটের আওয়াজ ভারি হচ্ছে বাতাস, রায়গঞ্জ থানার আইসির নেতৃত্বে রুটমার্চ ...

গত সপ্তাহে পূর্ব লাদাখ সেক্টরের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকা থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে চিন। কিছুটা হলেও পূর্ব লাদাখ সেক্টরে স্থিতাবস্থা ফিরে আসছে বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এবার পাকিস্তানের সঙ্গে যদি সীমান্ত সংঘর্ষ বব্ধ হয় তাহলে উত্তর সীমান্তে কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে ভারতীয় জোয়ানরা। কারণ দীর্ঘ দিন ধরেই অস্থিরতার মুখোমুখি অবস্থা করছেন উত্তর সীমান্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত জওয়ানরা।