ভারতে করোনাভাইরাসের টিকাকরণ শুরু হয়ে আগামী শনিবার। তারই প্রস্তুতি শুর হয়ে গেছে গোটা দেশে। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে গেছে দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা কোভ্যাক্সিন ও অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রোজেনেকার বিকাশ করা কোভিশিল্ড। কোভিশিল্ড তৈরি হচ্ছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়াতে। প্রথম দফায় দেশের প্রায় ৩ হাজার কেন্দ্রে টিকাকরণের ব্যবসথা করা হয়েছে। প্রথম দিন ৩ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীকে টিকা দেওয়া হবে বলেও জানান হয়েছে। 

স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর, প্রথম দিন প্রতিটি কেন্দ্রে ১০০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। সূত্রের খবর স্বাস্থ্যকর্মীদের তালিকাভুক্তি ও টিকাপ্রদান পরিচালনা করা একটি সময় সাপেক্ষ বিষয় বলেও জানান হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর বর্তমানে ৩ হাজার কেন্দ্রে টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করা হলেও আগামী দিনে ৫ হাজার কেন্দ্রে টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে। আগামী মার্চ মাসে দেশের প্রায় ১২ হাজার কেন্দ্রে টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে। পুরো বিষয়টি যাতে মসৃণভাবে সম্পন্ন করা হয় তার দিকেই নজর দেওয়া হয়েছে। 


কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য় মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৫ লক্ষ ১২ হাজার ৯৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ১ লক্ষ ৫১ হাজার ৭২৭ জনের। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ হাজারেও বেশি। মৃত্যু হয়েছে, ১৯৮ জনের। দেশে অ্যাক্টিবকেসের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লক্ষ ১৩ হাজার ৬০৩। এক কোটিরও বেশি মানুষ সুস্থ হয়েছে। 

মন্ত্রকের তরফে জানান হয়েছে টিকাকরণের জন্য দেশের প্রতিটি কেন্দ্রে কোভিশিল্ড অথবা কোভ্যাক্সিন পাওয়া যাবে।কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে টিকা পাঠিয়ে দিয়েছে। রাজ্য সরকারগুলি ঠিক করবে কোন কেন্দ্রে কোন সংস্থার তৈরি টিকা দেওয়া হবে। তবে প্রতি গ্রাহককে প্রথমে যে ডোজ দেওয়া হয়েছিল দ্বিতীয়বারও সেই ডোজ দেওয়া হবে। প্রতি টিকারণকেন্দ্রের জন্য পাঁচ জনের একটি দল তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রের নিয়মগুলি যাতে রাজ্য থেকে শুরু করে ব্লক স্তরে পরিচালিত হয় সেদিকেও গুরুত্বে দিতে বলেই দাবি করা হয়েছে মন্ত্রক সূত্রে।