দেশের ভাবমূর্তীতে বড়সড় ধাক্কা লেগেছে। কৃষক আন্দোলন নিয়ে মার্কিন পপস্টার রিহানা ও জলবায়ু আন্দোলনের কর্মী গ্রেটা থুনবার্গের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেন রাহুল গান্ধী। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন যেভাবে কৃষকদের প্রতি আচরণ করা হচ্ছে ও সাংবাদিকদের প্রতি পদক্ষেপ করা হচ্ছে তাতে দেশের মর্যাদা ধাক্কা খাচ্ছে। রাহুল গান্ধী আরও প্রশ্ন করেন, কেন দিল্লিতে দূর্গে পরিণত করা হয়েছে? আন্দোলনকারী কৃষকদের কেন হুমকি দেওয়া হচ্ছে? কেন্দ্রীয় সরকার কেন কৃষকদের সমস্যা সমাধানে বিন্দুমাত্র আগ্রহী নয় বলেও অভিযোগ করেন রাহুল গান্ধী। 


তবে রাহুল গান্ধীর সমালোচনা করতে বিন্দুমাত্র দেরী করেনি বিজেপি নেতৃত্ব। কারণ রিহানাকে দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্র। তিনি বলেন, রাহুল গান্ধী বা মার্কিন পপস্টার রিহানা কৃষকদের সম্পর্কে কিছুই জানেন না। তিনি আরও বলেছেন যখন গান্ধীর মূর্তী ভাঙা হয়েছিল তখন তাঁরা কোথায় ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কাশ্মীরী পণ্ডিতদের যখন বার করে দেওয়ার বিষয় নিয়ে কেউ মন্তব্য করেন না। ২৬ জানুয়ারী দিল্লি পুলিশের কর্মীরা যখন জখম হয়েছিলেন তখন সমাজকর্মীরা কোনও মন্তব্য করেননি।  রাহুল গান্ধী বিদেশে গিয়ে দেশদ্রোহীদের সঙ্গে দেখা করছেন। ভারতবিরোধী প্রচার চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। 


এটাই প্রথম নয়। গতকালও দিল্লির বর্ডারগুলিকে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছিলেন দেওয়াল নয় ব্রিজ তৈরি করুর কেন্দ্রীয় সরকার। বেশ কয়েক দিন ধরেই দিল্লির সীমানা এলাকায় নিরাপত্তা বাড়চ্ছিল দিল্লি পুলিশ। সেইক্ষেত্রে চার স্তরীয় ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। রাস্তায় বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে পেরেকও। কৃষকরা যাতে কোনয়ও মতেই দিল্লিতে প্রবেশ করতে না পারে তারজন্য সবকরম পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। যা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও।