টিকা পৌঁছেনের নীল নক্সা তৈরি হচ্ছে  টিকা সরবরাহের জন্য ব্যবহার হবে বিমান  প্রয়োজনে ব্যবহার হবে সামরিক বিমান প্রত্যন্ত এলাকায় টিকা পৌঁছে দেওয়া হবে   

আগামী দিনে করোনাভাইরাসের টিকা যাতে দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় গুণগত মান বজায় রেখে পৌঁছে দেওয়া যায় সেই জন্য এখন থেকে নীল নক্সা তৈরি করতে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিটি অঞ্চলে অনুমোদিত দুটি করোনা-টিকা পৌছে দেওয়ার জন্য সি-১৩০জে ও আন্তোনভ ৩২ কার্গো বিমানের পাশাপাশি বিহান বাহিনীর পরিবহন বিমানেরও ব্যবহার করবে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ভ্যাক্সিন নির্মাতা ও সরবরাহকারী সংস্থাগুলি ২৪ ঘণ্টাই যাতে ভ্যাক্সিনগুলিকে নিরাপদ তাপমাত্রায় রাখা যায় সেদিকে প্রথম থেকেই জোর দিয়ে এসেছে। অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রোজেনেকার তৈরি করোনাভাইরাসের প্রতিষেধকে ৮-২ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখার করা হয়েছে। তেমনই ঠান্ডায় রাখতে হতে কোভ্যাক্সিনও। আর সেই সেইকারণেই আরুণাচল ও লাদাখের মত দুর্গম এলাকায় যাতে করোনাভাইরাসের টিকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য একচেটিয়া সামরিক বিমান ব্যাবহার করা হতে পারে। সূত্রের খবর টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হতে সামরিক বিমানের মাধ্যমে টিকা বিলি করা হলে সরবরাহে কোনও ব্যাঘাত ঘটবে না। পাশাপাশি টিকার গুণগত মানও ঠিক থাকবে।


কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বাণিজ্যিক বিমানের মাধ্যেমেই করোনা টিকার বড় অংশ সাল্পাই করা হবে। তবে যেখানে বাণিজ্যিক বিমান চালাচল করে না বা অবতরণের তেমন সুযোগ নেই সেইসব জায়গাগুলিতে সামরিক বিমান ব্যবহার করা হবে। প্রয়োজনে বিহান বাহিনীর বিমান তার সঙ্গে থাকা হেলিকপ্টারও ব্যবহার করতে পারে। 

সত্যি কি দিল্লিতে কৃষকের মৃত্যু হয়েছে, ভাইরাল ভিডিও থেকে উঠছে বেশ কয়কটি প্রশ্ন ..

করোনার মত বার্ড ফ্লুর সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে চিনের নাম, লক্ষণ থেকে ইতিহাস জেনে নিন সবকিছু ...

এক অন্য প্রেমের গল্প, সব বাধা পেরিয়ে এক মঞ্চে এক দিনে দুই প্রেমিকাকে স্বীকৃতি দিলেন এক পাত্র

টিকা পরিবহনের ক্ষেত্রে এখনও আলোচনা চলছে। এখনও কোনও স্থির সিদ্ধান্তে আসেনি কেন্দ্রীয় সরকার। ভারত সরকার এখনও পর্যন্ত কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিনকে জরুরি ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র দিয়েছে। ভারতীয় সেনা জওয়ানদের টিকা দেওয়ার কাজও খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই টিকা প্রদান করা হবে যেসব সেনা হাসপতাল থেকে সেগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।