লাদাখ সীমান্ত নিয়ে চিন-ভারতের মধ্যে এখনও চাপা উত্তেজনা রয়েছে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে একেবারে তলানিতে। এমন এক পরিস্থিতিতে ভারতে এলেন ইন্দোনিশায়ির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রবোও সাবিন্টো। রবিবারই প্রবোও এদেশে পা রাখেন। সোমবার এদেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠকও হয়। তিন-ভারত বিবাদের মাঝে ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই আগমন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। কারণ দীর্ঘদিন ধরে চিনের চোখ রাঙ্গানি সহ্য করেছে ইন্দোনেশিয়াও। দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মধ্যে  এদিনের বৈঠকে হাজির ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ  বিপিন রাওয়াত ও দেনের তিন বাহিনীর প্রধানরাও।


দক্ষিণ চিন সাগরে নিজের আধিপত্য কায়েম করতে চাইছে চিন। তাই এই অঞ্চলের প্রতিবেশীদেশগুলির উপর দাদাগিরির ফলানোর চেষ্টা করে চলেছে বেজিং প্রশাসন। সেই কারণে দক্ষিণ চিন সাগর এলাকায় প্রতিটি দেশই নিজেকে মজবুত করতে চাইছে চিনের বিরুদ্ধে। ক্রমাগত চিনের আস্ফালন দক্ষিণ সাগরে বাড়তেই এবার পেশি শক্তি জোরালো করতে চাইছে সমস্ত দেশই।

আরও পড়ুন:কার্গিল যুদ্ধ জয়ের ২১ বছর, স্মৃতির মণিকোঠা থেকে আরও একবার তাজা করে নিন বিজয় দিবসের সেই বীরগাথা

চিনের লাদাখ দখলের চেষ্টা দেখে আগে থেকেই সজাগ ইন্দোনেশিয়া। নিজের জমি তাই পোক্ত করতে বদ্ধপরিকর এই দেশ। ইন্দোনেশিয়ার  নটুনা বলে একটি দ্বীপে নজর রয়েছে চিনের। আর সেই কারণেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছে ইন্দোনেশিয়া। যার ফলে আমেরিকা থেকে টিলোট্রোটার এয়ারক্রাফ্ট আসছে ইন্দোনেশিয়ায়। 

আরও পড়ুন: করোনায় মৃত্যু ঝুঁকি বেশি স্থূল ব্যক্তিদের, নয়া গবেষণায় উঠে এল চা়ঞ্চল্যকর তথ্য

দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের  আধিপত্যের পাল্টা হিসাবে টহলদারির পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টা করছে ভারতও। নৌবাহিনীর মহড়ার সংখ্যা বাড়ানো ওপর জোর দিতে চাইছে নয়াদিল্লি। চিনকে চাপে রাখতে নয়াদিল্লির এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে আসিয়ান দেশগুলির সঙ্গে মিত্রতা বাড়াতে চাইছে ভারত। তাই ইন্দোনেশিয়ান প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ৩ দিনের ভারত সফরের দিকে কড়া নজার রাখছে বেজিংও।