Asianet News BanglaAsianet News Bangla

করোনার মৃতদেহ কি রাসায়নিক বোমা, কেন্দ্র বলল সাবধান ফুসফুস থেকে

বিশ শতকের গোড়ায় কলেরা মহামারীর মোকাবিলা করেছিল ভারত

কলেরার ক্ষেত্রে রাস্তায় পড়ে থাকা মৃতদেহ থেকেই ছড়িয়ে পড়ত রোগ

মৃতদেহগুলিই হয়ে উঠেছিল একেকটি রাসায়নিক বোমা

কোভিড-১৯'এর ক্ষেত্রেও কি বিষয়টা সেইরকম

 

Infection unlikely to spread from dead body, claims govt
Author
Kolkata, First Published Mar 19, 2020, 1:56 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

করোনাভাইরাস-এর আগেও ভাইরাসঘটিত মহামারীর মোকাবিলা করার অভিজ্ঞতা রয়েছে ভারতের। ১৮৯৭ সালের ভয়ঙ্কর বিশ শতকের প্রথম দিকে ভারতে কলেরা আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। গরীব দেশে মৃতদেহগুলি দাহ করার মতোও লোক ছিল না আর। রাস্তায় পড়ে থাকা পচাগলা সেই মৃতদেহগুলি ছিল একেকটি রাসায়নিক বোমার মতো। কারণ সেই মৃতদেহ থেকেই আরও অনেকের দেহে ছড়িয়ে পড়ত কলেরার ভাইরাস। কোভিড-১৯'এর ক্ষেত্রেও কি বিষয়টা সেইরকম? ভারতে এখনও পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হওয়ার পর থেকে বহু মানুষের মনেই এই প্রশ্ন ঘুরছে।

তবে কেন্দ্রীয় সরকারে-এর স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে পরিষ্কার বলা হয়েছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ক্ষেত্রে কলেরার মতো 'মৃতদেহ থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাবনা নেই'। শুধু সতর্ক থাকতে হবে রোগীর ফুসফুস থেকে। কারণ সেখানেই করোনাভাইরাস বাসা বাঁধে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকর্মী ও করোনাভাইরাস-এ মৃতদের পরিবারের সদস্যদের জন্য কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা অবলম্বন করার নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রকের এক পদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণের প্রধান মাধ্যম হল হাঁচি বা কাশির সময় নির্গত লালারস বা যে জলের ফোঁটা। মৃতদেহ থেকে স্বাস্থ্যকর্মী বা তাঁর পরিবারের সদস্যদের করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি নেই বললেই চলে। তবে কোভিড-১৯'এ মৃত রোগীর ময়নাতদন্ত করার সময় তার ফুসফুস থেকে এই রোগ সংক্রামিত হওয়ার বড় সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সরকারি নির্দেশিকায় ময়না তদন্ত এড়িয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ কারণে যদি ময়নাতদন্ত করতে হয় তবে সংক্রমণ প্রতিরোধী পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে।

 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios