তাউত-এর দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছিল দুটি বার্জ। ঘূর্ণী ঝড়ের কবলে পড়ে রীতিমত পাক খাচ্ছিল আরব সাগের জলে। আর দুটি জলযানে যাত্রীর সংখ্যা ছিল চারশোরও বেশি । প্রাকৃতির তাণ্ডবে বিপর্যস্ত বার্জ থেকে খবর পেয়েই এগিয়ে যায় ভারতীয় নৌ বাহিনী। এখনও পর্যন্ত ১৭৭ জন যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌবাহিনী। আইএনএস কলকাতা ও আইএনএস কোচি এই উদ্ধারকাজে সামিল হয়। সোমবার ঘূর্ণী ঝড়টি যখন মুম্বই সংলগ্ন এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল তখন বার্জ দুটি ছিল বোম্বেই হাই এলাকার হীরা তৈল খনির কাছাকাছি। কিন্তু প্রাকৃতিক তাণ্ডবের মধ্যে পড়ে বার্জদুটি। তখনই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় নৌবাহিনী। 

উদ্ধারকারীদের ফিরিয়ে আনতে আইএনএসএর তরফ থেকে হেলিকপ্টার পাঠান হয়েছিল। খুবই খারাপ আবহাওয়া ও সমুদ্রের প্রতিকূপ পরিস্থিতিতে উদ্ধারকজ নৌবাহিনীর কাছে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের ছিল। গ্রিটিশিপ অহল্যা ও ওশান এলার্জির মত সাপোর্ট জাহাজের সহযোগিতার  আইএনএক কলকাতা ও আইএনএস কোচি উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেছে। প্রবল ঝোড়ো হাওয়া আর বৃষ্টির মধ্যে রাতের অন্ধরাকেই চলে উদ্ধারকাজ। 

নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানান হয়েছে প্রথমে আইএনএন কোচি উদ্ধারকাজ পরিচালনা করার জন্য রওনা দিয়েছিল। সঙ্গে চিল একটি সাপোর্ট  জাহাজ। পরবর্তীকালে আইএনএস কলকাতাও এই এই অভিযানে যোগ দিয়েছিল। পুরো উদ্ধারকাজটি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান হয়েছে। সোমববার দুপুরে থেকে নৌবাহিনী উদ্ধারকাজ শুরু করে। গভীর রাতেই চলে সেই অভিযান। আইএনএস কলকাতা ১১১ জনকে উদ্ধার করে। বাকিদের উদ্ধার করে সাপোর্ট শিশ অহল্যা ও ওশান এলার্জি। এদিন সকালেই ওশান এনার্জি উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেছে। অন্যদিকে গাল অনস্ট্রাক্টর নামে এপর একটি ভেসেল থেকে ১৩৭জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এটি কোলাবার  থেকে ৪৮ নটিক্যাল মাইল উত্তরে ছিল। নৌজান ওয়াটার লিলি দুটি সাপোর্ট জাহাজ নেই সেই আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করা।