উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলিকতে ভাইরাসের মতো ছড়াচ্ছে নাগরিকত্ব বিল বিরোধী হিংসাত্মক আন্দোলন। বৃহস্পতিবার ত্রিপুরা-অসমের ক্ষোভ ছড়ালো মেঘালয়েও। মঙ্গলবার ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছিল ত্রিপুরায়, বুধবার অসমে, বৃহস্পতিবার ইন্টারনেট বন্ধ হল মেঘালয়েও। শুধু তাই নয়, অসমের গুয়াহাটি, ডিব্রুগড়ের মতো মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ের কয়েকটি অংশে এদিন রাত ১০ টা থেকে কার্ফু জারি করা হল।

এদিন, ত্রিপুরা-অসমের ছবিই দেখা গেল মেঘালয়েও। শিলংয়ের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র পুলিশ বাজারে ঢুকে সেখানকার দোকানপাট ভাঙচুর করে একদল বিক্ষুব্ধ জনতা। এমনকী তাদের বাধা দিতে গেলে স্থানীয় লোকজনদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। বাজারের বাইরে কয়েকটি গাড়িতে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়।

শুধু পুলিশ বাজারেই নয়, হিংসাত্মক আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে শিলঙ শহর-সহ  মেঘালয়ের বিভিন্ন এললাকাতেই। এরপরই মেঘালয় প্রশাসন সেখানকার ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত  নেন।  

এদিন রাত ৮টায় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর সঙ্গে বৈঠকের কথা ছিল মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা-র। কিন্তু অসমে কার্ফু ও হিংসাত্মক বিক্ষোভ আন্দোলনের মধ্যে সাংমা ও তাঁর মন্ত্রিসভার সহকর্মীরা দিল্লিগামী বিমান ধরার জন্য সময়ে গুয়াহাটি বিমানবন্দরেই পৌঁছতে পারেননি। রাতের মধ্যে দিল্লি পৌঁছতে পারেননি তাঁরা। ফলে অমিত শাহ-এর সঙ্গে কনরাড সাংমা-র বৈক ভেস্তে যায়। তবে উত্তরপূর্বের অপর রাজ্য ত্রিপুরার প্রতিনিধি দল এদিন সন্ধায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।