আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় দিল্লি হাইকোর্ট চিদম্বরমের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর দিল্লির বাড়িতে হানা দিল সিবিআই-এর একটি দল। কিন্তু, তারা আসার কিছু আগেই চিদম্বরম রওনা হন সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশ্যে। কিন্তু শীর্ষ আদালত থেকেও খালি হাতেই ফিরতে হল তাঁকে।

চিদম্বরম একা ছিলেন না। কংগ্রেস নেতাকে বাঁচাতে কপিল সিব্বল থেকে শুরু করে অভিষেক মনু সাংভি, সলমন খুরশিদ-সহ আইনজীবীদের পুরো এক বাহিনী এসে হাজির হয় সুপ্রিম কোর্টে।  প্রথমে এসে পৌঁছান সিব্বলই। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর সঙ্গে একটিবার কথা বলার জন্য, চিদম্বরমের সঙ্গে তাঁকে দেখা যায় উর্ধ্বশ্বাসে একের পর এক করিডোরে দৌড়াদৌড়ি করতে।

পরে আদালতেই একটি ঘরে সাংভি, খুরশিদরা এসে হাজির হন। হাইকোর্টে চিদম্বরমের পক্ষে দাঁড়ানো দয়ান কৃষ্ণাণও একটু পরে এসে হাজির হন সেখানে। তবে তারপরেও এদিন রাতের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করতে পারেননি চিদম্বরম। সিব্বল জানিয়েছেন, বুধবার সকালে ১০.৩০-র মধ্যে তাঁরা মামলাটি উপযুক্ত বেঞ্চে শোনাবেন।

তবে সেই ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি গগৈকে পাবেন না চিদম্বরম পক্ষ। কারণ অযোধ্যা মামলার শুনানির জন্য সাংবিধানিক বেঞ্চে হাজির থাকবেন তিনি। আর তার সঙ্গেই একই মামলার শুনানিতে ব্যস্ত থাকবেন, সুপ্রিম কোর্টে সিনিয়রিটিতে প্রধান বিচারপতির পরেই থাকা এসএ বোরদেও। তাই তৃতীয় সিনিয়র বিচারপতি এনভি রামানার বেঞ্চেই তাঁরা বিষয়টি তুলবেন। তবে দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশনামা এখনও তাঁদের হাতে এসে পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন সিব্বল।