জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালানো এবং নকশাল বিরোধী লড়াই চালানোর জন্য দেশের বৃহত্তম আধা-সামরিক বাহিনী সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স বা সিআরপিএফ-এর ভুমিকা বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে। আর তাই স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ দিনে সাহসিকতার জন্য সবথেকে বেশি পদক পেলেন সিআরপিএফ-এর সদস্যরা। 

তাঁদের ঝুলিতে একটি কীর্তি চক্র চক্র এবং শৌর্য্য চক্র-সহ মোট ৭৫টি পদক রয়েছে। এই বছর শান্তির সময়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মান কীর্তি চক্র পেলেন সিআরপিএফ-এর হর্ষপাল সিং। ডেপুটি কমান্ড্যান্ট-এর থেকে সেকেন্ড-ইন কমান্ড-এর পদে উন্নীত হলেন হর্ষপাল সিং। তাঁর সহযোগী জাকের হুসেন ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে জম্মুতে জইশ-ই-মুহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর দু-জন সন্ত্রাসবাদীকে হত্যা করে শৌর্য্য চক্রে লাভ করলেন।  

পাশাপাশি ২০১৮ সালের অক্টোবরে জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লায় চেকপোস্টে টহল দেওয়ার সময়ে  দু-জন সশস্ত্র জৈশ-বাহিনীর জঙ্গিকে হত্যা করে শৌর্য্য চক্র পদক লাভ করলেন সিআরপিএফ-এর দ্যানেশ্বর শ্রীরামও। শুধু তাই নয়, অসম্ভব সাহসিকতার জন্য দুটি রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদকও গেল সিআরপিএফ-এর ঝুলিতে। এই বিশেষ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট এল ইবোমচা সিং এবং কনস্টেবল মহম্মদ মাজাহিদ খান। 

পাশাপাশি একাধিক রাজ্যে মাওবাদী দমনে অসাধারণ সাফল্যের জন্যও মিলেছে একাধিক পদক। জম্মু ও কাশ্মীরে একাধিক সময়ে অসাধারণ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে সিআরপিএফ-এর সদস্যরা। প্রসঙ্গত প্রায় তিন লক্ষ সেনা নিয়ে গঠিত এই সিআরপিএফ হল দেশের একমাত্র কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী যাঁরা এবারের স্বাধীনতা দিবসে একাধিক পদক লাভ করেছে। বুধবার সরকারের তরফে যে ১৮০টি পদকের কথা ঘোষণা করা হয়েছে তার মধ্যে ৭২টিই সিআরপিএফ-এর ঝুলিতে।