প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারে বারে এসেছেন প্রচারে। পাঁচদফার ভোটগ্রহণের প্রত্যেক দফার আগেই তাঁদের পা পড়েছিল ঝাড়খণ্ডে। এছাড়া হিন্দুত্বের পোস্টারবয় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও বহুবার প্রচারে এসেছেন এই রাজ্যে। কিন্তু তারপরেও বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে এই রাজ্যও হাতছাড়া হতে চলেছে বিজেপি-র। গো-বলয়ের এই রাজ্যে ভোটে ঝড় তুলতে চলেছে কংগ্রেস-ঝাড়খণ্ড জনমুক্তি মোর্চা।  

শুক্রবারই ছিল ঝাড়খণ্ডের পঞ্চম তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর একমাত্র সি ভোটার ছাড়া অন্যান্য সব সমীক্ষা সংস্থাই ঝাড়খণ্ডে অনেকটাই এগিয়ে রেখেছে ইউপিএ জোটকে। সি-ভোটার-এর সমীক্ষা অনুযায়ী ফলাফল ত্রিশঙ্কু হতে পারে। কিন্তু তারাও কংগ্রেস ও জেএমএম-কে এগিয়ে রেখেছে।

সি ভোটার আভাস দিয়েছে, জেএমএম এবং কংগ্রেস মিলিতভাবে ৩১ থেকে ৩৯ টি আসন পাবে। আর বিজেপি পেতে পারে ২৮ থেকে ৩৬টি আসন। ভোটের আগেই বিজেপির সঙ্গ ছাড়া এজেএসইউ পেতে পারে ৩ থেকে ৭টি আসন এবং জেভিএম-এর ঝুলিতে যাবে ১ থেকে ৫টি আসন।

ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া'র বুথফেরত সমীক্ষা বলছে বিজেপি পেতে পারে ২২থেকে ৩২টি আসন। আর কংগ্রেস-জেএমএম জোটকে তারা দিয়েছে ৩৮ থেকে ৫০টি আসন। জেভিএম পেতে পারে, ২ থেকে ৪টি আসন পেতে পারে। তাদের হিসেব অনুযায়ী এজেএসইউ ৩ থেকে ৫টি আসন পেতে পারে।

আগামী ২৩ ডিসেম্বর ভোট গণনা করা হবে।