একটি দেশের অর্থনীতি যেখানে ধীর গতিসম্পন্ন, সেখানে একটি দেশের অর্থনীতির সার্বিক উন্নতি হবে কীভাবে সেই নিয়ে নানা মহলেই তৈরি হয়েছে জল্পনা। গত ফেব্রুয়ারি মাসে পীযুষ গোয়েল যে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেছিলেন সেই প্রস্তাবে নিজেকে আটকে না রেখে দেশের প্রথম মহিলা অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ কীভাবে একটি স্বতন্ত্র বাজেট পেশ করতে পারেন এখন সেই দিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ। তবে একটা কথা বলাই বাহুল্য যে সাম্প্রতিককালে বেকারত্ব সমস্যা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে নির্মলা সীতারমণকে। 

প্রসঙ্গত আগামী ৫ জুলাই বাজেট। এর আগে নির্মলা সীতারমণ টুইট করে বাজেট সম্পর্কে সকলের মতামত জানতে চান। অর্থনীতিবিদ, শিল্পপতি, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক এবং পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বক্তব্যও জানতে চেয়েছেন নির্মলা। তাঁর এই 'ক্রাউড সোর্সিং'কে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন অর্থনীতিবিদরা। 

সম্প্রতি শিল্পকর্তারা কর কমানোর দাবি তুলেছিলেন, তাঁদের বক্তব্য ছিল যে কর্পোরেট কর যাতে ১৮ শতাংশ করা হয়। তবে অন্তর্বর্তী বাজেটে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়ার ফলে তা যথেষ্ট চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে মনে করা হচ্ছে কয়েকটি উপায় অবলম্বন করলেই সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়নকে তরান্বিত করতে পারবে বলে মত একাংশের। 

বাড়িতে বসে কাজ না করে সাড়ে ন'টার মধ্যে মন্ত্রীদের দফতরে আসার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সংসদীয় রাজনীতিতে ইতি মনমোহন, শেষ প্রায় তিন দশকের সফর

শীঘ্রই 'শাহ' আসছেন বাজারে, তাঁর বাজারদর কি টেক্কা দিতে পারবে 'মোদী'কে

আর তাই আসন্ন সংসদ অধিবেশনে যে যে বিষয়গুলি উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে, সেগুলি হল, শিল্পক্ষেত্রে সুদের হার কমাতে হবে। সেইসঙ্গে কৃষকদের আয় কীভাবে বাড়ানো যেতে পারে সেইদিকেও নজর রাখতে হবে। বাজারে অর্থের জোগান বাড়াতে হবে। চাহিদার অভাবে অটোমোবাইল শিল্পে যে ভাটা পড়েছে সেই বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। অনুৎপাদকমুলক সম্পদকে উৎপাদকমুলক সম্পদে পরিণত করার বিষয়টিও কিন্তু এড়ানো যাচ্ছে না। জিএসটি-কে আরও কীভাবে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলা যায় এবং সেইমতো যাতে জিএসটির পুনর্বিন্যাস করা যায় সে বিষয়টিও নজরে রাখা হবে বলেই মনে করছে বিশিষ্ট মহল।