টুইটারে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ বায়ো থেকে সরিয়ে দিলেন কংগ্রেস লেখা রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে গুঞ্জন অভিমানেই কি এই সিদ্ধান্ত, উঠছে প্রশ্ন 

তাঁকে সরিয়ে কংগ্রেস কমলনাথকে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী করার পর থেকেই দূরত্ব বাড়ছিল দলের সঙ্গে। মাধবরাও সিন্ধিয়ার পুত্রের যে মনক্ষুণ্ণ হয়েছে তা বোঝাই যাচ্ছিল। এবার যেন তার প্রত্যক্ষ নিদর্শন রাখলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে কংগ্রেসের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন তিনি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জ্যোতিরাদিত্যর টুইটারের বায়োতে জ্বলজ্বল করত কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পদের কথা। তা আর দেখা যচ্ছে না। এতদিন টুইটারে লেখা থআকত তিনি প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। কোন কোন দফতেরর মন্ত্রী ছিলেন তাও উল্লেখ ছিল। সোমবার থেকে সেইসব বায়ো উধাও হয়ে গিয়েছে। এক ঝলকে তাণর টুইটার অ্যাকাউন্ট দেখলে আর বোঝার উপায় নেই যে তিনি কংগ্রেসের কোনও বড় নেতা। 

টুইটারে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া সম্পর্কে এখন লেখা রয়েছে পাবলিক সার্ভেন্ট ও ক্রিকেট প্রেমী। এই দেখেও গুঞ্জন শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সিন্ধিয়া কংগ্রেস ত্যাগ করছেন বলে মনে করছেন অনেকেই। দীর্ঘদিন ধরেই দলের সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য চলছে। বর্তমানে সিন্ধিয়া দলের কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদেও নেই। সেই কারণেই দলত্যাগের জল্পনা আরও বাড়ছে। 

সিন্ধিয়ার সঙ্গে কংগ্রেসের দূরত্ব বেশকিছুদিন ধরেই বাড়ছিল। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর পদ না পেয়ে কার্যতই অসন্তুষ্ট ছিলেন তিনি। মধ্যপ্রদেশ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পদ না পেয়ে সেই অসন্তোষ আরও বাড়ে। সম্প্রচি উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক পদ থেকেই তাঁকে সরানো হয়েছে। এবারের লোকসভা ভোটেও জিততেন পারেননি মাধব পুত্র, সেজন্য দলের অন্তর্দ্বন্দকেই দায়ী করেছেন তিনি। সম্প্রতি একাধিক ইস্যুকে কংগ্রেসের সমালোচনাও শোনা গেছে তাঁর গলায়। 

নিজের টুইটার থেকে জ্যোতিরাদিত্যর কংগ্রেসের নাম ও অস্তত্ব মুছে দেওয়ার তাই উঠছে প্রশ্ন, তবে কি বিজেপির দিকেই পা বাড়িয়ে রাখছেন তিনি। দলের উপর অভিমানেই কী এই পদক্ষেপ? উত্তর অবশ্য এখনও অধরা।