হিজাব ইস্যুতে হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত গভীর হতাশাজনক, মেহবুবা মুফতির সমালোচনায় বিতর্ক

| Mar 15 2022, 03:04 PM IST

হিজাব ইস্যুতে হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত গভীর হতাশাজনক, মেহবুবা মুফতির সমালোচনায় বিতর্ক
হিজাব ইস্যুতে হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত গভীর হতাশাজনক, মেহবুবা মুফতির সমালোচনায় বিতর্ক
Share this Article
  • FB
  • TW
  • Linkdin
  • Email

সংক্ষিপ্ত

প্রধান বিচারপতি রিতু রাজ অবস্থির নেতৃত্বে কর্ণাটক হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার সকালে হিজাব ইস্যুতে রায় ঘোষণা করে। দিনের প্রথমার্ধে বিষয়টি তালিকাভুক্ত করা হয়।

হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার (decision to uphold the hijab ban) কর্ণাটক হাইকোর্টের (Karnataka High Court) সিদ্ধান্তকে গভীর হতাশাজনক বলে ব্যাখ্যা করলেন জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (Former Jammu and Kashmir Chief Minister) মেহবুবা মুফতি (Mehbooba Mufti)। এদিন তিনি বলেন এটা শুধু ধর্মের বিষয় নয়, নির্বাচন করার স্বাধীনতাও, যা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। 

পিডিপি সভাপতি মেহবুবা মুফতি টুইটারে লিখেছেন "হিজাব নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার জন্য কর্ণাটক হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত গভীরভাবে হতাশাজনক। একদিকে আমরা মহিলাদের ক্ষমতায়নের কথা বলি তবুও আমরা তাদের একটি সাধারণ পছন্দের অধিকারকে অস্বীকার করছি। এটি কেবল ধর্মের বিষয় নয়, বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা," 

Subscribe to get breaking news alerts

এদিন ন্যাশনাল কনফারেন্স (NC) নেতা ওমর আবদুল্লাহ বলেন যে এটি একটি 'প্রতারণা' যে আদালত একজন মহিলার পোশাক বেছে নেওয়ার মৌলিক অধিকারকে সমর্থন করেনি। তিনি এদিন বলেন "কর্নাটক হাইকোর্টের রায়ে খুবই হতাশ। হিজাব সম্পর্কে আপনি যা ভাবুন না কেন, এটি একজন মহিলার অধিকার, যে তিনি কীভাবে পোশাক পরতে চান। আদালত তা করেনি। এই মৌলিক অধিকার বজায় রাখা নিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছে। " 

এদিকে, মঙ্গলবার কর্ণাটক হাইকোর্ট জানায়, হিজাব ইসলামের অপরিহার্য ধর্মীয় অনুশীলন নয়। স্কুল ও কলেজের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরার উপর নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে যে আবেদন করা হয়েছিল, তা খারিজ করে দিলেন হাইকোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চ। অর্থাৎ, রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরার উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকল। এর আগে, এই মামলার শুনানির সময়, কর্নাটকের বিজেপি (BJP) সরকারও বলেছিল, হিজাব পরা ইসলামের অপরিহার্য বিষয় নয়।

উদুপির (Udupi) এক প্রাক-বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্রীদের একাংশ ক্যাম্পাসে হিজাব পরার অধিকারের দাবি তুলেছিলেন। যার পাল্টা একাংশের ছাত্র গেরুয়া শাল পরে আসা শুরু করে। এরপরই বিষয়টি একটি বড় বিতর্কের আকার নিয়েছিল। ধীরে ধীরে এই বিতর্ক রাজ্যের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছিল। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায়, বেশ কয়েকদিন কর্নাটকের সমস্ত স্কুল-কলেজ-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল রাজ্য সরকার। এদিন হাইকোর্টের রায়ের আগেও কর্ণাটকে বন্ধ রাখা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। 

প্রধান বিচারপতি রিতু রাজ অবস্থির নেতৃত্বে কর্ণাটক হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার সকালে হিজাব ইস্যুতে রায় ঘোষণা করে। দিনের প্রথমার্ধে বিষয়টি তালিকাভুক্ত করা হয়। বিচারপতি কৃষ্ণ এস. দীক্ষিত এবং বিচারপতি খাজি জাইবুন্নেসা মহিউদ্দীনকে নিয়ে গঠিত তিন বিচারপতির বেঞ্চ যুক্তিতর্ক ও পাল্টা যুক্তি শোনার পর বিষয়টি আগে রায়ের জন্য সংরক্ষণ করেছিল।