যাঁরা  বিদেশ থেকে ফিরছেন তাঁরা মাত্র ১৪ দিনের জন্য নিজেকে গৃহবন্দি করে রাখুন। ইন্ডিয়ার কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ একটি নোটিশ জারি করে এই আবেদন জানিয়েছে। পাশাপাশি সংগঠনের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে। গৃহবন্দি অবস্থায় যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সর্দিকাশি, জ্বর বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দেয় তাহলে সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কিন্তু বিদেশ থেকে ফেরার পরে যদি কোনও সমস্যা নাও থাকে তাহলেও নিজেকে আদালা রাখুন। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষাগারে কর্মরত ব্যক্তিরা যদি কোনও নমুনায় করোনার জীবানু পান তাহলে তাঁরাও সঙ্গে সঙ্গে আইসেলোশনে যাবেন। নূন্যতম ১৪ দিন নিজেকে গৃহবন্দি করে রাখা উচিৎ। এই সময় তাঁদেরও জ্বর, সর্দিকাশি বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চূড়ান্ত সতর্কতা অবল্বম করার আবেদন জানান হয়েছে চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পর্যায়ে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। 

 

বর্তমানে ভারতে রীতিমত বাড়ছে করোনার প্রকোপ। শুক্রবার আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। এই পরিস্থিতিত আতঙ্ক বাড়ছে গোটা দেশ জুড়েই। কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দেশের চিকিৎসকরা। নিজেরা সুস্থ থেকে দেশের মানুষকে সুস্থ করে তোলাই এখন তাঁদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার জন্য দেশের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরও অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে। করোনা মোকাবিলায় এখনও পর্যাপ্ত সহযোগিতা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল কিটও দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তাও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন এই চিকিৎসক সংগঠন। 

আরও পড়ুনঃ পার্টিতে করোনা আক্রান্ত কণিকার সঙ্গে ছেলেকে নিয়ে ছিলেন বসুন্ধরা, আতঙ্কে স্বেচ্ছাবন্দি, তোপ ডেরেকের

আরও পড়ুনঃ দুষ্মন্তের পাশে বসে, সরকারকে দুষে স্বেচ্ছায় কোয়ারান্টাইনে তৃণমূলের ডেরেক

প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে বিদেশ থেকে যাঁরা ফিরছেন তাঁদের থেকেই সংক্রমিত হচ্ছে করোনাভাইরাস। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিমানবন্দরগুলিতেই প্রাথমিক পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু এমন অনেক আক্রান্তর হদিশ পাওয়া গেছে পরীক্ষার সময় তাঁরা সুস্থ থাকলেও পরবর্তীকালে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাই সাবধনতা অবলম্বন করতে বিদেশ থেকে দেশে ফেরা সকল নাগরিকদের কাছেই নূন্যতম ১৪ দিন স্বেচ্ছা বন্দির আবেদন জানিয়েছেন আইসিএমআর।  একই আবেদন জানান হয়েছে পরীক্ষাগারে কর্মরত চিকিৎসাকর্মীদেরও।