স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়ন রাজস্থানের সাংসদের পাশে বসেছিলেন তিনি সংসদ বন্ধ করে দেওয়ার আর্জি সকলকে সাবধানে থাকার বার্তা 

কেন্দ্রীয় সরকার রীতিমত বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। দিল্লির বাড়িতে স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে যাওয়ার আগে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়ন। আগেই সংসদ বন্ধ করে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন ডেরেক। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তখনই জানিয়েছিলেন সংসদ চলবে। প্রয়োজনে স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি থাকতে পারেন সাংসদরা। এই অবস্থাতেই ডেরেক জানতে পারেন রাজস্থানের বিজেপি সাংসদ করোনা আক্রান্ত বলিউড গালিকা কণিকা কাপুরের সঙ্গে পার্টি করেছিলেন। তারপরই তিনি স্বেচায় আইসোলেশনে চলে যান। সেখান থেকেই ডেরেক জানিয়েছেন দুদিন আগে পার্লামেন্টের স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে রাজস্থানের সাংসদ দুষ্মন্তের কাছে বসেছিলেন। তাঁর সঙ্গে হাত মিলিয়ে ছিলেন কিনা তা তাঁর মনে নেই। তবে বেশ কিছুক্ষণ পাশাপাশি বসেছিলেন। ডেরেকের সঙ্গে অবস্য মাস্ক ছিল বলেও জানিয়েছেন। তার আগেই ১৫ই মার্চ দুষ্মন্ত ও তাঁর মা রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধারা রাজে লক্ষ্মৌতে একটি নৈশভোজের আমন্ত্রণে গিয়েছিলেন। যেখানে উপস্থিতি ছিলেন কণিকা কাপুর। এদিনই তাঁর দেহে করোনার জীবানুর সন্ধান পাওয়া গেছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এই ঘটনায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ের ভয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন ডেরেক। যদিও স্বেচ্চায় নিজেকে গৃহবন্দি করে রেখেছেন বসুন্ধরা রাজে ও তাঁর ছেলে দুষ্মন্ত। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়ন এদিনই সকালে একটি ট্যুইট করেন। সেখানে তিনি জানতে চান কেন চলবে সংসদের অধিবেশন। করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকার ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের বাড়ির থেকে বার হতে নিষেধ করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রবিবার জনতার কারফুর ডাক দিয়েছে। এই অবস্থায় কেন চলবে সংসদে অধিবেশন। তিনি আরও বলেন সংসদের অধিবেশন চলা মানেই জনতার কাছে ভূল বার্তা যাওয়া। ডেরেক আরও বলেন, রাজ্যসভার ৪৪ ও লোকসভার ২২ শতাংশ সাংসদই ৬৫ উর্দ্ধো। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অমান্য করেই কী তাঁরা সংসদের অধিবেশে যোগ দেবেন। প্রশ্ন করেন ৫৯ বছরের তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ। 

Scroll to load tweet…

এই মুহুর্তে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে। নতুন করে গুজরাটেও করোনা আক্রান্তের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে ভারত দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে। আর মাত্র ২৮ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলি পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিতে পারে। ইতিমধ্যেই বিশ্বের একাধিক দেশে ভয়াল ছায়া পড়েছে করোনার। রীতিমত মৃত্যুপুরীর চেহারা নিয়েছে ইতালি। একই পরিস্থিতি চিন ও ইরানেরও। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মানুষকে জমায়েত করতে নিষেধ করেছেন। এই পরিস্থিতিতেই তাঁর দলের প্রথম সারির নেতানেত্রীদের পার্টিতে অংশ নেওয়ায় রীতিমত সরগরম কেন্দ্রের রাজনীতি।