ভারতীয় পক্ষের সেনা ছাউনি নির্মাণের কাজ শেষ  হিমাঙ্কের ৪০ ডিগ্রি নিচের তাপমাত্রাতেই স্বাভাবিক থাকবে  সমস্যা হবে না ছাউনির মধ্যে থাকা সেনাদের  ৪০ পর্যন্ত বরফ পড়তেও তা মোকাবিলা করতে পারবে   

চিনের সঙ্গে বিবাদের কারণে চলতি বছর শীতকালেও পূর্ব লাদাখ সেক্টরের বিস্তীর্ণ এলাকায় মোতায়েন থাকবে ভারতীয় জওয়ানরা। প্রবল ঠান্ডায় ভারতীয় জওয়ানদের যাতে কোনও রকম সমস্যা না হয় সেইজন্যই আধুনিক ও উন্নতমানের সেনা ছাউনি তৈরি করা হয়েছে। যে ছাউনিগুলিতে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ৪০-৩০ ডিগ্রি নিচে নেমে গেলেও কোনও সমস্যা হবে না জওয়ানদের। শীতের মরশুমের পূর্ব লাদাখের বিস্তীর্ণ এলাকায় বরফে ঢাকা পড়ে যায়। কোনও কোনও এলাকায় বরফের উত্ততা থাকে ৪০ ফুট পর্যন্ত। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ইন্টিগ্রেটেড সুবিধেসহ স্মার্ট ক্যাম্প ছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে সেনা বাহিনীর প্রবল ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষার জন্য বিদ্যুৎ, গরম জল, হিটিং মেসিনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে এই সেনা ছাউনিতে। প্রবল ঠান্ডা ও অতি উচ্চতায় সেনা জওয়ানের থাকার জন্য স্বাস্থ্য বিধি মেনেই সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে প্রতিটি ঘরে রয়েছে হিটিং মেশিন।

Scroll to load tweet…


শীতকালে মোতায়েন করা সৈন্যদের দক্ষতা যাতে কোনও ভাবেই প্রকৃতির কাছে হার না মানে তারজন্যই এই পরিকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ভারতীয় সেনার তরফ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে জানান হয়েছে, লাদাখের উচ্চ থেকে উচ্চতর এলাকায় শীতকালে সেনা মোতায়েন রাখার সবরকম পরিকল্পনা প্রায় সারা হয়েছে। সেনার তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে এই এলাকায় প্রচুর পরিমাণে জওয়ান মোতায়েন রাখা হয়েছে। সেনা সূত্রের খবর ফ্রন্ট লাইনে থাকা সৈন্যদের মোকায়নের কৌশলগত অবস্থা বিবেচনা করে তাঁদের তাঁবুতে স্থান দেওয়া হবে। সীমান্ত সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য সেনাদের অবকাঠামো চিহ্নিত করা হবে। সেনা সূত্রে জানান হয়েছে প্রবল তুষারপাতের হাত থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপাদানও সেনা ছাউনিতে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একটি সূত্রের খবর অনুযায়ী চলতি শীতকালে দুই পক্ষের প্রায় ৫০ হাজার সেনা মোতাতেন থাকবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন এলাকায়। তবে হাতগুটিয়ে বসে নেই চিনও। লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায় মোতায়েন থাকার জন্য চিনা বাহিনীও একের পর এক পদক্ষেপ করেছে। জিনজিয়াং প্রদেশ থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে চিনা সেনাদের। চিনারাও বেশ কয়েকটি এলাকায় পরিকাঠামো নির্মাণ করেছে বলে সূত্রের খবর।