সোমবার বিহারে শপথ নিয়েছে নীতিশ কুমার মন্ত্রিসভা, মঙ্গলবার হয়েছে দপ্তর বন্টন। সেই মন্ত্রিসভায় সমাজের অন্যান্য সব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি থাকলেও, নেই একটিও মুসলমান মুখ। বস্তুত, বিহারে ক্ষমতাসীন এনডিএ জোটে মুসলমান সম্প্রদায়ের একজনও বিধায়কই নেই। তাই স্বাধীনতার পর এই প্রথম, বিহার সরকার হল কোনও মুসলমান মন্ত্রী বা বিধায়কহীন। অথচ, রাজ্যের জনসংখ্যার ১৬ শতাংশেরও বেশি মুসলমান। তবে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ঘটলে, তখন মুসলমান প্রতিনিধি পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন - জঙ্গি নিধনের নামে প্রমাণ লোপাট করল পাকিস্তান, আর কি ন্যায়বিচার পাবেন কুলভূষণ

আরো পড়ুন - এবার অধীর চৌধুরী বনাম কপিল সিবাল, ঠিক কোথায় গিয়ে থামবে কংগ্রেসের দলীয় কোন্দল

আরও পড়ুন - নীতিশের মন্ত্রিসভায় বিজেপিরই দাপট, অর্থ থেকে স্বাস্থ্য সবই গেরুয়া শিবিরে

সোমবার বিহার মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ পর, দেখা গিয়েছিল ক্যাবিনেটে বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে দারুণ ভারসাম্য রাখা হয়েছে। ওই দিন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার-সহ মোট ১৫ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেন। তার মধ্যে ৪জন করে ছিলেন উচ্চবর্ণের ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণির প্রতিনিধি। আর তিনজন করে রয়েছেন অতি পিছিয়ে পড়া শ্রেণি ও তফসিলি উপজাতির প্রতিনিধি। কিন্তু, মুসলমান একজনও নেই। একজনও মুসলমান জয়ী বিধায়ক না থাকলেও অবশ্য নীতিশ কুমারের হাতে সুযোগ ছিল, মুসলিম কাউকে মন্ত্রী করে পরে তাঁকে বিঝধানসভায় জিতিয়ে আনারষ কিন্তু, তিনি তা করেননি।

তবে, সাংবিধানিক বিধি অনুযায়ী ১২৫টি আসন জেতা এনডিএ জোটের সরকারে মুখ্যমন্ত্রী সহ মন্ত্রী হতে পারেন সর্বোচ্চ ৩৬ জন। অর্থাৎ নীতিশমন্ত্রিসভায় আরও ২১ জন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করার জায়গা রয়েছে। তাই অনেকেই মনে করছেন, পরবর্তীকালে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ঘটানো হবে যখন, তখন সম্ভবত একজন মুসলিম মুখকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করবেন নীতিশ কুমার।