লাদাখ সীমান্তে চিনা সেনার সঙ্গে উত্তাপ ক্রমশই বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সমর সজ্জায় আরও জোর দিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানান হয়েছে, ভারতীয় বিমান বাহিনীকে রাশিয়া থেকে ৩৩টি যুদ্ধ বিমান কেনার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কিছু যুদ্ধ বিমানের আধুনিকিকরণেও সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্রের খবর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর নেতৃত্বে এদিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের শীর্ষ কর্তারা বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানান হয়েছে, রাশিয়ার থেকে নতুন করে ১২টি এস ৩০এমকেআই, ২১টি মিগ -২৯ যুদ্ধ বিমান কেনা হবে। পাশাপাশি  ৫৯টি মিগ ২৯ বিমানের আধুনিকীকরণ করে নেওয়া হবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে খরচ হবে ১৮,১৪৮ কোটি টাকা। 

 সূত্রের খবর ২ জুলাই প্রতিরক্ষা দফতরের বৈঠকে লাদাখের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারপরই যুদ্ধ বিমান কেনার বিষয়ে মনোনিবেশ করা হয়েছে। বৈঠক শেষে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের সীমান্তরক্ষার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে আরও বেশি শক্তিশালী করা প্রয়োজন। যুদ্ধ সামগ্রী সংগ্রহ ও আধুনিকীকরণের জন্য ৩৮,৯০০ কোটি টাকার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।  প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর কথায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডাকে সাড়া দিয়ে আত্ম নির্ভর ভারত অভিযানেও জোর দেওয়া হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন সুখোই বিমানের আধুনিকীকরণের বরাত দেওয়া হয়েছে হ্যালকে। রাজনাথ সিং-এর কথায় ৩৮.৯০০ কোটি টাকার যে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে তারমধ্যে থেকে ৩১,১৩০ কোটি টাকার বরাত দেওয়া হয়েছে দেশীয় সংস্থাগুলিকে। আর সেই প্রকল্প গুলির মধ্যে রয়েছে পিনাক রকেট লঞ্চার, বিএমপি যুদ্ধ বিমানের আধুনিকীকরণ সেনা বাহিনীর জন্য উন্নত প্রযুক্তি সহ একাধিক কার্যকলাপ। 


এই বৈঠকেই ভারতীয় বিমান ও নৌবাহিনীকে ভিজ্যুয়াল রেঞ্জের বায়ু থেকে বিমান ক্ষেপণাস্ত্র ২৪৮ অধিগ্রহণের ছাড়পত্র দিয়েছে। অ্যাস্ট্রার বিউন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জের ল্যান্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইলের নকশা ও তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যার জন্য খরচ পড়বে ২০৪০০ কোটি টাকা।