বৃহস্পতিবার এড়িয়ে গিয়েছিলেন, শুক্রবারও আস্থাভোট এড়িয়েই গেলেন কর্নাটকের মুখ্য়মন্ত্রী কুমারস্বামী। রাজ্যপাল বাজুভাই ভালা প্রথমে আস্থাভোটে যাওয়ার জন্য তাঁকে এদিন বেলা ১.৩০ পর্যন্ত সময়সীমা দিয়েছিলেন। তা লঙ্ঘন করায় ফের সময় বেঁধে দেন সন্ধ্যা ৬টায়। কিন্তু তাও মানল না কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকার। বিধায়করা বাড়ি যেতে চান, দাবি করে কুমারস্বামী স্পিকারকে বলেন, সোমবার ভোটাভুটির জন্য। স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি এর তীব্র বিরোধিতা করেছে।

মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী এদিন বিধানসভায় তাঁর বক্তব্য। শেষ করে স্পিকারকে জানান, তাঁদের আরও ২৫-২৬ জন বিধায়ক সভায় বলতে চান। তাদের বলার জন্য সময় দিতে স্পিকারকে অনুরোধ করেন তিনি। তাদের বক্তব্য সোমবারের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে বলেও জানান তিনি। আর তারপরেই আস্থাভোট করা হোক বলে প্রস্তাব দেন।

বিজেপি স্বাভাবিকভাবেই এর তীব্র বিরোধিতা করেছে। বিজেপি নেতা ইয়েদুয়াপ্পা বলেন, শাসক দলের বিধায়করা বিধায়সভায় বক্তব্য রাখুন, তাতে তাঁদের আপত্তি নেই। কিন্তু রাজ্যপালের নির্দেশ মেনে ভোট শুক্রবার রাতের মধ্যেই শেষ করতে হবে। তাঁরা শান্তভাবে রাত ১২টা পর্যন্ত বিধানসভাতেই অপেক্ষা করবেন বলেও জানান তিনি। রাজ্যরপালের নির্দেশকে মুখ্যমন্ত্রীর মেনে চলাই উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কিন্তু বিজেপি নেতাদের এই আশ্বাসেও কাজ হয়নি। একের পর এক কংগ্রেস নেতা বিধানসভা চাড়তে শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত স্পিকারও বিধানসভার কাজ ২২ জুলাই পর্যন্ত মুলতুবি করে দেন। অর্থাৎ আরও দুইদিনের জন্য চেয়ার রক্ষা করলেন কুমারস্বামী।