প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উৎসবের মরশুমে দেশের সৈনিকদের স্মরণ করতে আহ্বান জানিয়েছেন দেশবাসীর কাছে। রবিবার তাঁর মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান মন কি বাত-এ তিনি বলেন উৎসব উদযাপনের সময় দেশের সেনাবাহিনীর কথা স্মরণ করে একটি প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানিয়ছেন। তিনি বলেন দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে ভারতীয় জওয়ানরা সীমান্তে সদা সর্বদা সতর্ক পাহারায় রয়েছে। আর উৎসবের মধ্যেও  তাঁরা সজাগ রয়েছে। এদিন মন কি বাত অনুষ্ঠানে তিনি সেনা জওয়ানদের ত্যাগ আর তাঁদের পরিবারের ত্যাগের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। 


প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, করোনাভাইরাসের এই সংক্রমণ আর উৎসবের এই মরশুমেও সেনা জাওয়ানরা নিজেদের জায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। শত্রুর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য তাঁরা সামীন্তপারে মোতায়েন রয়েছে। উৎসবেও পরিবারের সদস্যদের থেকে অনেক দূরে থাকতে হচ্ছে তাদের। সেনা জাওয়ারদের পাশাপাশি দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও অনেক ত্যাগ স্বীকার করছেন। আর সেই কারণেই এই উৎসবের মরশুমে দেশের সেনা জওয়ানদের উদ্দেশ্যে একটি প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তিনি সরাসরি বলেন ভারতের বীর আর সহসী পুত্র আর কন্যাদের কথা স্মরণ করে একটি প্রদীপ জ্বালাতে।

মন কি বাত অনুষ্ঠানেও দুর্গা পুজোর প্রসঙ্গ, করোনা যুদ্ধ হালকাভাবে নিলে চলবে না বলে মন্তব্য মোদীর ..

নেপালের মানচিত্র বদলে দিচ্ছে চিন, ড্রাগনদের পা পড়েছে সীমান্তবর্তী ৭টি জেলায় ...

প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর এই মন্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেও মনে করছে রাজনৈনিক বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এমন সময় এই মন্তব্য করেছেন যখন চিনের সঙ্গে সীমান্ত উত্তাপ ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত জুন মাস থেকেই পূর্ব লাদাখ সেক্টরে চিনা আগ্রাসন রুথতি রীতিমত তৎপর রয়েছে ভারতীয় জওয়ানরা। এই পরিস্থিতিতে শীতকালেই সীমান্তে মোতায়েন থাকার কথা জানিয়েছেন সেনা বাহিনী। প্রবল ঠান্ড আর খারাপ আবহওয়া উপক্ষা করেই সীমান্ত রক্ষায় মোতায়েন থাকছে ভারতীয় জওয়ানরা।  অন্যন্যবার শীতকালে লাদাখে বেশ কয়েকটি এলাকা শীতকালে সরিয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু এবার চিনকে প্রতিহত করতে সম্পূর্ণ উল্টো ছবি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায়। কারণ এবরছ শীতে প্রায় ৪০ হাজার সেনা জওয়ান মোতায়েন থাকছে সীমান্তে। আর সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেনা জওয়ানদের কথা স্মরণ করতে আহ্বান জানিয়েছেন দেশের মানুষের কাছে।