চার বছর বয়সী একটি শিশুকে অপহরণ করে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হল ৪০ বছরের এক ব্যক্তিকে। এই ব্যক্তিকে মাস ছয়েক আগে নিহত নির্যাতিতার পিসিকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।  ৬ মাস জেল খাটার পর অভিযুক্ত দিন পনেরো আগেই ছা়ড়া পায়। তারপরই ফিরে আসে গ্রামে। 

মধ্য প্রদেশের মরিনা জেলার এই ঘটনায় রীতিমত ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সমাজকর্মীরা। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে বুধাবার  থেকেই নির্যাতিতার কোনও সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।  ছোট্ট মেয়েটিকে গ্রামবাসীরা খুঁজতে শুরু করে। সন্ধ্যের দিকে তার বাড়ি থেকে ২০০ মিটার দূরে একটি সর্শে খেতের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় নির্যাতিতার দেহ। গ্রামবাসীরা নির্যাতিতাকে শেষবারের মত দেখেছিল অভিযুক্তের সঙ্গে। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানিয়েছেন অভিযুক্ত চকোলেট কিনে দেওয়ারনাম করে ছোট্ট মেয়েটিকে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছিল। 

নিহত নির্যাতিতার বাবা মা কাজের জন্য ভিন রাজ্যে থাকে। ঠাকুমার সঙ্গেই গ্রামের বাড়িতে থাকত চার বছরের ছোট্ট মেয়েটি। যদিও অভিযুক্তকে গ্রেফতার হয়েছে। প্রবল জিজ্ঞাসাবাদের পর অভিযুক্ত ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার কথা স্বীকার করেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্যাতিতার মৃতদেহ আটকে স্থানীয় বাসিন্দারা বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভও দেখিয়েছিল। এই ঘটনার পর আবারও প্রশ্ন উঠিছে মধ্য প্রদেশে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে। নারী সুরক্ষায় বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। কিন্তু তারপরেই একের পর ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। 

দিল্লিতে চাক্কা জ্যাম হবে না, জানালেন কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইত, আটকে পড়াদের নিজেদের কথা বলবে কৃষকরা ...

রাজ্যসভায় কৃষি আইন সংশোধনের কথা কৃষি মন্ত্রীর মুখে, তারপরেও থেকে গেল 'যদি' ...

গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, অভিযুক্তদের ছোট্ট মেয়েটির জন্য চকোলেট কিনতে দেখেছিল গ্রামের অনেকেই। স্থানীয় দুটি শিশুকেই নিশানা করেছিল অভিযুক্ত। যদিও সেই দুটি শিশু অভিযুক্তের বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। 

অন্যদিকে রেওয়া জেলায় ৫ বছরের একটি শিশুকে অপহরণ করে ধর্ষণ করার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে হয়েছে প্রতিবেশীকে। নির্যাতিতা স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পঞ্জা লড়ছে।