আরও একদিনের স্বস্তি মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ৭৩ বছরের কমল নাথের। মধ্যপ্রদেশের বিধানসভার আস্থাভোট মামলার শুনানি আরও একদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকাল  সাড়ে দশটা নাগাদ এই মামলার শুনানি হবে বলেও জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ইতিমধ্যেই মামলা সংক্রান্ত নোটিশ পাঠান হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ ও মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডনকে।   এদিন ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে ওঠে এই মামলা। 

অবিলম্বে আস্থাভোট করতে হবে মধ্য প্রদেশে। এই আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা শিবরাজ সিং চৌহান। মধ্য প্রদেশের কমল নাথ সরকার পড়ে যাবে। পরিবর্তে ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার গঠন করবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। 

কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ক্রমশই ক্ষোভ উগরে দিয়েছে দলের বিক্ষুব্ধ বিধায়করা। বেঙ্গালুরু থেকে অনেক বিধায়কই জানিয়েছেন, সিন্ধিয়াই তাঁদের নেতা। তাঁরা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার পক্ষেই রয়েছেন। সিন্ধিয়ার ওপরই  তাঁদের  সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপি শিবিরে যাওয়া তাঁরাও কংগ্রেসে থাকতে চান না বলে জানিয়েছেন। 

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার দল বদলের সময়ই কংগ্রেসের ২২ জন বিধায়ক পদত্যাগ করেছিলেন। তারপর থেকেই বিজেপি আস্থা ভোটের দাবি জানিয়ে আসছিল। গতকালই আস্থা ভোট হওয়ার কথা ছিল মধ্য প্রদেশ বিধানসভায়। কিন্তু রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডনের ভাষণের পরই সরকার ও বিরোধী পক্ষের বিধায়করা তুলুম হৈহট্টোগোল শুরু করে দেন বিধানসভায়। তারপরই করোনার সংক্রমণ রুখতে আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত বিধানসভার অধিবেশ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন স্পিকার এনপি প্রজাপতি। বাতিল হয়ে যায় আস্থা ভোট। কিন্তু অবিলম্বে কমল নাথ সরকারকে শক্তি পরীক্ষা দিতে হবে। এই দাবি জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলে শিবরাজ সিং চৌহান ও বিজেপির আরও ৬ সদস্য। এদিন অবস্য কংগ্রেসের পক্ষের কোনও আইনজীবী আদালতে উপস্থিত হননি।