দুপুর ঠিক ১২.৩০ মিনিট নাগাদ মহারাষ্ট্রের আলিবাগে আছড়ে পড়ে সাইক্লোন নিসর্গ। তখন ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার। সঙ্গে শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। রীতিমত তাণ্ডব চালায় আবর সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণি ঝড়টি। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর তরফ থেকে ট্যুইট করে জানান হয়েছে ঝড়ের দাপটে উপকূলবর্তী এলাকায় প্রচুর গাছ উপড়ে গেছে। পালঘর, পুনে রায়পুর  সহ একাধিক এলাকায় ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সাক্ষী থাকল সাধারণ মানুষ। বিকেল ৪টে পর্যন্ত রীতিমত তাণ্ডব চালায় নিসর্গ।  

ঝড়ের দাপট বিকেল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। বিকেলেও আলিবাগ সহ বিস্তীর্ণ এলাতায় হাওয়ার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৯৩ কিলোমিটার। আগামী ৬ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণি ঝড়টি দুর্বল হয়ে পড়বে বলেও পূর্বভাস দেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর পূর্ব দিকে আগ্রসর হচ্ছে। নাসিক,ধুলি সহ একাধিক জেলায় প্রভাব পড়বে বলেই পূর্ব দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।স্থানীয় আবহাওয়া দফতর জাবিয়েছে আগামি বেশ কিছু সময়ের জন্য রায়গড় ও পালঘরে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 

ঝড়ের দাপটে বহু জায়গায় গাছ পড়ে গেছে। উপড়ে গেছে বিদ্যুতের খুঁটি। জল জমার সম্ভাবনাও প্রবল। বহু জায়গা ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। মোবাইল সংযোগই ছিন্ন হয়ে গেছে অনেক এলাকায়। পুনেতেও ঝড়ের প্রভাব পড়ে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। 
  

সাইক্লোন নিসর্গের দাপটে প্রবল প্রবল বৃষ্টি হয় কর্নাট ও গুজরাতেও। দুটি এলাকায় প্রভাব পড়েছে। 

 

 

পশ্চিমবঙ্গের দিঘা উপকূলে ২০ মে আছড়ে পড়েছিল আমফান। বাংলার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছিল এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ। যার ছবি এখনও দেখতে পাওয়া যায় ঝড় বিধ্বস্ত এলাকায়। সেই দিনও ছিল বুধবার। আবর নিসর্গও আছড়ে পড়েল বুধবার। রীতিমত ধ্বংসলীলার সাক্ষী থাকল মহারাষ্ট্র।