গেরুয়া জলে ধুয়ে মুছে সাফ! তৃণমূল কংগ্রেস থেকে শুভেন্দু অধিকারী যোগ দেওয়ার নারদ স্টিং অপারেশনের ভিডিওটি তাদের সরকারি ইউটিউব চ্যানেল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। ওই ভিডিওতে তৃণমূলের বেশ কয়েকজন নেতার এবং পুলিশ কর্তার সঙ্গে সঙ্গে জার্সি বদলে বিজেপি হওয়া শুভেন্দু অধিকারী, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও মুকুল রায়-কে ঘুস নিতে দেখা গিয়েছিল। যদিও ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। মঙ্গলবার এই ভিডিও সরানোর বিষয়ে বিজেপি-কে একহাত নিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।

এদিন বিজেপির ইউটিউব চ্যানেলের একটি স্ক্রিনশট টুইট করে তৃণমূলের এই দাপুটে সাংসদ বলেন, 'বিজেপি তাদের ইউটিউব চ্যানেল থেকে নারদ স্টিং ভিডিও সরিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ। পশ্চিমবঙ্গে অমিত শাহ-র জাদুকরি লন্ড্রি অভিযান চলছেই - বিজেপিতে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে - সদ্যধোয়া ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে উঠুন!'

বঙ্গ বিজেপি তাদের ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি সরায়নি। তাদের টাইমলাইনে ২০১৬ সালে নারদ স্টিং অপারেশনে অভিযুক্ত রাজনৈতিক নেতাদের নামের তালিকা সম্বলিত দিয়ে একটি পোস্টও রয়ে গিয়েছে। সেখানেও জ্বলজ্বল করছে মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী ও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের নাম। প্রসঙ্গত ২০১৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগেই নারদ নিউজ পোর্টালের সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েলস ওই স্টিং অপারেশনের ভিডিওটি প্রকাশ করেছিলেন।

 

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন ছিলেন মুকুল রায়। ২০১৭ সালে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন। তারপর চলতি বছরেই তাঁকে দল জাতীয় সাধারণ সম্পাদক-এর পদ দিয়েছে। তার পরের বছর বিজেপিতে যোগ দিলেও শোভন চট্টোপাধ্যায় এখনও গেরুয়া শিবিরে সেভাবে জায়গা করে নিতে পারেননি। অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন গত সপ্তাহে।