রীতিমত সংকটে মহারাষ্ট্র। ক্রমশই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্য। ইতিমধ্যেই বাণিজ্যনগরিতে আক্রান্তের ৭হাজার ৬২৪। যা দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে বলেন রাজ্যের ৮০ শতাংশ আক্রান্তই কোনও উপসর্গ নেই। বাকি ২০ শতাংশের সামান্য উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। যা রীতিমত চিন্তার বিষয়। এখনও অনেক মানুষ আছেন যাঁরা রোগের কথা লুকিয়ে রেখেছেন। রাজ্যের সকল মানুষের কাছে নমুনা পরীক্ষার আর্জিও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন আগামী ৩থেকে ৪ মাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কঠিন লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন উদ্ধব ঠাকরে। তবে মেডিক্যাল পরিষেবা ও ডায়ালিসিস সেন্টার চালু করার পক্ষেও এদিন সওয়াল করেন তিনি। করোনা মোকাবিলায় পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য বৈঠক করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। 

অন্যদিকে মহারাষ্ট্র সরকার সূত্রে খবর, আগামী ১৫ মে পর্যন্ত মুম্বই ও পুনেতে বাড়ানো হতে পারে লকডাউন।   শুধুমাত্র মুম্বই শহরেই আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়েছে। দেশের গুরুপূর্ব হটস্পটই এটি। অন্যদিকে পুনেতেও আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় লকডাউন বাড়ানোর পক্ষেই সওয়াল করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। 

আরও পড়ুনঃ করোনা মোকাবিলায় দ্রুত পরীক্ষায় দেরি কেন, সামনে আসছে কোন কোন তথ্য ...

অরও পড়ুনঃ করোনার থেকে শিক্ষা নিয়েছে ভারতের সেনাবাহিনী, আগামীর পরিকল্পনা নিয়ে মুখ খুললেন বিপিন রাওয়াত ...

আরও পড়ুনঃ করোনা লড়াইয়ে অংশ হতে পারেন আপনিও, মন কি বাত অনুষ্ঠানে বার্তা মোদীর ...

আবারও রীতিমত কড়া অবস্থান নিচ্ছে দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার। রবিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একটি বৈঠক করে কেজরিওয়াল জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকারের গাইডলাইনের বিপক্ষে হেঁটে কয়েকটি ক্ষেত্র লকডাউন শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আম আদমি পার্টির সরকার। কিন্তু রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে পূর্বের অবস্থা থেকে পিছিয়ে আসা হয়েছে। দিল্লিতে দোকান বাজার শপিং মল সবকিছু বন্ধ রাখার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। শুধুমাত্র পাড়ার দোকানগুলিই খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যার অর্থ আগামী ৩ মে পর্যন্ত প্রায় স্তব্ধ থাকবে দেশের রাজধানীর জনজীবন। দিল্লিতে আক্রান্তের সংখ্যা ২৫০০। ১১টি জেলা জুড়ে ৯৫টি কোয়ারেন্টাইন জোন রয়েছে।