বুধবারই প্রায় তিন দশক ধরে চলা বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায় দিয়েছে বিশেষ সিবিআই আদালত। এরপর এদিন সকলের নজর ছিল আরও একটি বিতর্কিত মসজিদের দিকে - মথুরার শাহি ইদগা মসজিদ। তবে, মথুরার এক দেওয়ানি আদালত, কৃষ্ণজন্মভূমি থেকে মসজিদটি অপসারণের আবেদন করে করা মামলাটি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে।

গত সপ্তাহে, রঞ্জন অগ্নিহোত্রি নামে লখনউয়ের এক বাসিন্দা নিজেকে পরবর্তী 'কৃষ্ণসখা' বা ভগবান কৃষ্ণের 'বন্ধু', এবং ভক্ত বলে পরিচয় দিয়ে সতেরশো শতাব্দীতে নির্মিত শাহি ইদগা মসজিদটি, কাটরা কেশব দেব মন্দিরের ১৩ একর জমির উপর কৃষ্ণেরজন্মভূমিতে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন। তিনি ওই মসজিদটি ভেঙে দিয়ে পুরো ১৩ একর জমিই ফেরত চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন।

উপাসনাস্থল (বিশেষ বিধান) আইন ১৯৯১ অনুসারে ভারতে বিদ্যমান ধর্মীয় কাঠামোগুলির অবস্থার পরিবর্তন করা যায় না। সেই আইনের উল্লেখ করেই এদিন আদালত এই মামলাটি খারিজ করে দিয়েছে। সিনিয়র দেওয়ানী বিচারক ছায়া শর্মার আদালতে করা এই মামলার আবেদনে শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান সেবা সংস্থান এবং শাহি ইদগা পরিচালনা কমিটির মধ্যে জমি চুক্তি অনুমোদনের বিষয়ে ১৯৬৮ সালের মথুরা আদালতের রায়-ও বাতিল করার দাবি জানানো হয়েছিল।

তবে শাহি ইদগা মসজিদ অপসারণের জন্য এই আবেদন দাখিলের নিন্দা করেছিল অখিল ভারতীয় তীর্থ পুরিহিত মহাসভা। পুরোহিতদের এই সংস্থার সভাপতি মহেশ পাঠক বলেছিলেন, 'কিছু বহিরাগত' মন্দির-মসজিদ ইস্যু তুলে মথুরার শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে। উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার পরে শ্রীকৃষ্ণের জনমাস্থান মথুরায় কোনও মন্দির-মসজিদ বিরোধ নেই।