মেহুল চোকসির সঙ্গে আপাল ছিল কিউবায় যেতে চেয়েছিলেন মেহুল ডমিনিকা তাঁরা চূড়ান্ত গন্তব্য ছিল না একান্ত সাক্ষাৎকারে দাবি বারবার জাবারিকার 

যত দিন যাচ্ছে পলাতক হীরে ব্যবয়াসী মেহুল চোকসিকে নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা এনএইআইকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে মেহুল চোকসির রহস্যময়ী ডমিনিকার বান্ধবী বারবার জাবারিকা এক ভয়ঙ্কর তথ্য ফাঁস করেছেন। তিনি বলেছেন ডমিনিকা হয়ে কিউবায় পালিয়ে যাওয়ার ছক কষেছিলেন পঞ্জাব ন্যাশানাল ব্যাঙ্ক প্রতারণায় অন্যতম অভিযুক্ত মেহুল চোকসি। কারণ মেহুল চোকসি তাঁকে বলেছিল পরেরবার তারা কিউবায় দেখা করবে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বারবার জাবারিকা একান্ত সাক্ষাৎকারে আরও জানিয়েছেন, চোকসি পালানোর মত কোনও শব্দ উচ্চারণ করেনি। তবে চোকসি তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিল বারবার কিউবায় গিয়েছে কিনা। সেই সময়ই মেহুল চোকসি তাঁকে বলেছিল পরেরবার তারা কিউবায় দেখা করতে পাবে। কিন্তু তার কোনও কারণ জানায়নি। তারপরি বারবার বলেছেন তিনি নিশ্চিত যে মেহুল চোকসির চূড়ান্ত গন্তব্য কখনই ডমিনিকা ছিল না। কিউবাই চোকসির চূড়ান্ত গন্তব্য কিনা সে সম্পর্কেও নিশ্চিত নন বারবারা। 

অ্যান্টিগুয়া পুলিশ কমিকমিশনারের সম্প্রতি মেহুল চোকসি অভিযোগ করেছিল বারবার জাবারিকা তাকে অপরহরণ করেছিল। প্রাতঃরাশের সময় তাকে অপহরণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। যদিও মেহুল সেই সময় জানিয়েছিল বারবারার সঙ্গে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। গত একবছর ধরেই তারা একে অপরকে চেনে। 

বারবার এনএনআইকে জানিয়েথেন মেহুল তাঁকে একাধিকবার ইঙ্গিত দিয়েছিল যে সে অন্যত্র চলে যেতে চাইছে। ক্যারিবিয়ান বা কিউবা বা অন্য কোনও দ্বীপে যেতে চাইছে সে। আর সেই সময়ই মেহুল জানিয়েছেন সে ভয় পাচ্ছে। সেই কারণে প্রচুর পরিমাণে ধ্যান করছে। নিউ ইয়র্ক থেকে এক ধর্মগুরু এসেছিলেন বলেও জানিয়েছেন বারবারা। যদিও বারবারার এই দাবি অস্বীকার করেছে মেহুলের পরিবার ও আইনজীবী। তাঁরা এখনও পর্যন্ত অপহরণের তত্ত্বে অনড় রয়েছে। 

যদিও বারবার জানিয়েছেন যে দিন মেহুল চোকসিকে অপরহণ করা হয়েছিল বলে সে দাবি করেছে সেদিন তাঁরা একসঙ্গে প্রাতঃরাশ করেছিলেন। তারপর মেহুল বিমান বন্দরের দিকে চলে যায়। তিনি অবশ্য দ্বীপের অন্যদিকে গিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন যে রেস্তোরাঁয়া তাঁরা দেখা করেছিলেন সেখানে ফোন করার কথাও বলেছেন বারবার। তিনি বলেছেন তাঁরা একসঙ্গে কফি পান করেছিলেন। তারপরই তিনি জলি হারবার এলাকায় চলে গিয়েছিলেন। মধ্যাহ্ন ভোজনও তাঁরা সেখানে করেন। একই সঙ্গে মেহুল তাঁকে তার সঙ্গে থাকার জন্য জোর করছিলেন। কিন্তু বারবারা জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত ব্যবসার কাজে তাঁকে অন্যদ্বীপে যেতেই হবে। বারবার আরও জানিয়েছেন ব্যবসার কাজে তিনি ইউরোপে থাকার সময়ও চোকসির সঙ্গে তাঁর রীতিমত যোগাযোগ ছিল।