অভিবাসী শ্রমিক আর পুলিশের সংঘর্ষে প্রায় রণক্ষেত্রের চেহারা নিল সুরাতের  কাদোদরা এলাকা। সোমবার সকালেই পথে নেমে আসেন শতাধিক শ্রমিক। কাজের জায়গা থেকে নিজের বাড়ি ফিরতে চেয়ে বিক্ষোভে সরব হন তারা। দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তারা। বিক্ষোভরত শ্রমিকরা নূন্যতম স্বাস্থ্য বিধি মানেননি বলেই অভিযোগ । পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। তারপরই শুরু হয়ে যায় খণ্ডযুদ্ধ। 

অভিযোগ ঘরে ফেরার তাগিতে ক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে প্রথম পাথর ছোঁড়ে। তারপরই পুলিশ লাঠি চার্জ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাঠান হয় বলেও অভিযোগ। দীর্ঘক্ষণ পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন। 

লকডাউনের মধ্যে এবারই প্রথম নয়, যে শ্রমিকরা বাড়ি ফিরতে চেয়ে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়ে ছিল।  এই জাতীয় ঘটনা গুজরাটে ঘটেছে চারবার। উত্তর প্রদেশ, বিহার, বাংলা, ওড়িশা থেকে যাওয়া শ্রমিকরা একাধিকবার বাড়ি ফিরতে চেয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। গুজরাতের এই এলাকায় সবথেকে বেশি অভিবাসী শ্রমিকরা বসবাস করেন। সূত্রের খবর গুজরাতে অভিবাসী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় কুড়ি লক্ষ। যাদের অধিকাংশই বাংলা, বিহার আর ওড়িশার বাসিন্দা। অনিশ্চিত কাজ আর ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে বসে রয়েছেন শ্রমিকরা। এই অবস্থায়ে লকডাউনে ৪০ দিন পরে ধৈর্য হারিয়ে তাঁরা পথে নেমেছেন বলে দাবি করেছেন অনেকে। 

আরও পড়ুনঃ নিরাপত্তা বাহিনীতেও করোনার হানা, পরিচ্ছন্নর করার জন্য বন্ধ করা হল সিআরপিএফ বিল্ডিং .

আরও পড়ুনঃ তৃতীয় লকডাউনে কী কী ছাড় দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, এক ঝলকে চোখ বুলিয়ে নিন ...

আরও পড়ুনঃ শ্রমিক ট্রেন নিয়ে যুযুধান কংগ্রেস ও বিজেপি, ভাড়ায় ৮৫ শতাংশ ভর্তুকি রেলের ...

অভিবাসী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র। আমেদাবাদ ও সুরাত থেকে ১৮টি শ্রমিক ট্রেনে প্রায় ২১ হাজার অভিবাসীকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে।