সমাজের অধঃপতন এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিহারের বেগুসরাই জেলার এক গ্রামে ১৫ বছরের প্রতিবেশী এক কিশোর ধর্ষণ করল মাত্র ৬ বছর বয়সের এক শিশুকন্যাকে। আর এই নিয়ে কিশোরের বাড়িতে নির্যাতিতার পরিবার অভিয়োগ জানাতে গেলে, দুই পরিবারের মধ্যে তীব্র গন্ডোগোল বাধে। অভিযুক্তের পরিবারের আঘাতে অভিযোগকারী পরিবারের এক গর্ভবতী মহিলা গুরুতর জখম হলেন।

ওই মহিলাকে এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পূর্ণ বিবরণ দিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, তেঘাদা থানায়। তবে তার আগে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে। জানা গিয়েছে, দিন দুই আগে বেগুসরাইয়ের ননিহাল গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে এসেছিল ওই শিশুকন্যা ও তার পরিবার। পাশের বাড়ির ১৫ বছরের পিন্টু কুমার-এর সঙ্গে ওই শিশুকন্য়ার খুব ভাব জমে উঠেছিল। যার সুযোগ নিয়ে পিন্টু চরম ক্ষতি করে।  

নির্যাতিতা শিশুকন্যার পরিবারের অভিযোগ ঘটনার পর থানায় গিয়ে তাঁরা মৌখিক অভিযোগ জানান, কিন্তু পুলিশ লিখিত অভিযোগ না নিয়ে অভিযুক্ত কিশোরের পরিবারের সঙ্গে মিটমাট করে নেওয়ার পরামর্শ দেয় নির্যাতিতার পরিবারকে। এরপরই ওই পিন্টুর বাড়ি যান নির্যাতিতা পরিবারের সদস্যরা। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, তাঁরা কথা বলতে গেলেই পিন্টুর পরিবারের লোকজন তাদের উপর চড়াও হয়।

ডিএসপি হেডকোয়ার্টার কুন্দনকুমার সিং বলেছেন, জানিয়েছেন নির্যাতিতার পরিবারের ওই গর্ভবতী মহিলার উপর হামলার হওয়ার পর পুরো মামলাটি নিয়ে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এর সঙ্গে শিশুকন্যার ধর্ষণ ও লাঞ্ছনার অভিযোগে পুলিশ আরও একটি এফআইআর নথিভুক্ত করেছে এবং তার ভিত্তিতে মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে।